Banke Bihari temple

গুপ্তকক্ষে মিলল ৭ রাজার ধন! ৫৪ বছর পর ধনতেরসে ধনবর্ষা মথুরার বাঁকে বিহারী মন্দিরে

কী কী মিলল তোষাখানা থেকে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২০, ২০২৫, ১৭:৪১

options
link
গুপ্তকক্ষে মিলল ৭ রাজার ধন! ৫৪ বছর পর ধনতেরসে ধনবর্ষা মথুরার বাঁকে বিহারী মন্দিরে

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধনতেরসে ধনবর্ষা মথুরার বাঁকে বিহারী মন্দিরে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ১৯ শতকের প্রাচীন এই মন্দিরের তোষাখানায় সমীক্ষা চালানোর সময় মিলল ৭ রাজার ধন। সমীক্ষার দ্বিতীয় দিনে এক গুপ্তকক্ষ থেকে সোনা, রুপো, মূল্যবান পাথর-সহ বহু জিনিসপত্র পাওয়া গিয়েছে। ৫৪ বছর পর মন্দিরে সমীক্ষা চালানোর সময় এই তথ্য দিয়েছেন এক পুরোহিত।

Advertisement

জানা যাচ্ছে, শেষবার মন্দিরের গর্ভগৃহ সংলগ্ন এই তোষাখানা খোলা হয়েছিল ১৯৭১ সালে। এই গুপ্ত ভাণ্ডারে কী রয়েছে তা নিয়ে জল্পনা চরম আকার নেয়। এই পরিস্থিতিতে তোষাখানায় সমীক্ষা চালাতে ১২ সদস্যের কমিটি গঠন করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এই কমিটির প্রধান ছিলেন এলাহাবাদ হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অশোক কুমার। গত শনিবার এই কমিটির উপস্থিতিতে ভাঙা হয় তোষাখানার তালা। কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি পুলিশ, আধিকারিক-সহ চারজন পুরোহিত সেখানে প্রবেশ করেন। প্রাথমিকভাবে সেখানে কিছু না পাওয়া গেলেও নজরে পড়ে একটি গুপ্তকক্ষ। রবিবার সেখানে প্রবেশের পর পাওয়া গিয়েছে বহু মূল্যবান সামগ্রী।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মন্দিরের পুরোহিত দীনেশ গোস্বামী ছিলেন এই সমীক্ষক দলের সঙ্গে। তিনি বলেন, তোষাখানায় একটি ৩-৪ ফুট লম্বা বাক্স উদ্ধার হয়েছে। যেখানে একটি সোনার বার, তিনটি রুপোর বার। যাতে আবির মাখানো ছিল। এছাড়াও পাওয়া গিয়েছে বেশকিছু লাল ও সবুজ রঙের মূল্যবান পাথর ও বহু মূল্যবান কয়েন। এর পাশাপাশি বিভিন্ন ধাতুর তৈরি প্রচুর বাসনপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। অনুমান করা হচ্ছে এই সব বাসনপত্র ঠাকুরজি (ভগবান কৃষ্ণ) ব্যবহার করতেন। এছাড়া সেখানে আরও বহু বাক্স পাওয়া গিয়েছে যার বেশিরভাগই এখনও খোলা সম্ভব হয়নি।

Advertisement

তবে উদ্বেগের বিষয় হয় কোষাগারের ভিতরে থাকা বহু সম্পত্তির নথিপত্র এখনও পাওয়া যায়নি। ইতিহাসবিদদের দাবি, ১৯ শতকের এই মন্দিরের নথিতে বহু রাজপরিবারের তরফে বহু মূল্যবান সামগ্রী দান করা হয়েছে। সেই সমস্ত উপহার ও জমির মালিকানার সমস্ত নথি ছিল তোষাখানায়। দীনেশ গোস্বামীর মতে, কোষাগারের ভেতরে পাওয়া জিনিসপত্রের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়াটি দুই দিন ধরে ভিডিও করা হয়েছে। তিনি বলেন, কোষাগারের ভেতরে পরিদর্শন সম্পন্ন হয়েছে। অনুসন্ধানের জন্য আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন