সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাম মন্দির নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অযোধ্যায় সরকার অধিগৃহীত এলাকা থেকেই রাম মন্দিরের নির্মাণে ৬৭ একর জমি ট্রাস্টকে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নমো।
সুপ্রিম কোর্ট আগে নির্দেশ দিয়েছিল, যত দিন না পর্যন্ত বিতর্কের সমাধান না হয়, তত দিন পর্যন্ত ওই জমি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছেই থাকবে। গতকাল বা রবিবার বারাণসীতে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা করেন, ‘অযোধ্যা আইনের আওতায় অধিগৃহীত ৬৭ একর জমির পুরোটাই এবার শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের হাতে তুলে দেওয়া হবে। এত বড় জমিতে নির্মাণের ফলে মন্দিরের ব্যাপ্তি ও গরিমা আরও বাড়বে।’ বারাণসীতে শ্রী জগৎগুরু বিশ্বারাধ্য গুরুকুলের শতবর্ষ উদযাপনের সমাপ্তি অনুষ্ঠান মঞ্চে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস দেন, রাম জন্মভূমিতে মন্দির নির্মাণের কাজ তদারকের দায়িত্বে থাকা ট্রাস্ট দ্রুতই তার লক্ষ্যপূরণ করবে।
এদিকে, বারাণসীতে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন করতে গিয়ে কড়া সুরে সারা দেশে সিএএ লাগু হওয়ার কথাও ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। জনসভা থেকে মোদি সাফ জানান, দীর্ঘ বছরের পরিশ্রমের ফল হল সিএএ বা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ও ৩৭০ ধারা বিলোপ। কোনও চাপের মুখে পড়েই তিনি এই আইনগুলিকে প্রত্যাহার করবেন না, বা বলা ভাল তিনি নতিস্বীকার করবেন না। এই দুই সিদ্ধান্তই দেশের জন্য সমানভাবে জরুরি।এই দুই সিদ্ধান্তের সঙ্গে জড়িয়ে দেশের স্বার্থ।
দিল্লি নির্বাচনের আগেই চলতি মাসে সংসদে দাঁড়িয়ে রাম মন্দির নির্মাণের ট্রাস্ট তৈরির কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত বছরের ৯ নভেম্বর অযোধ্যাতে রাম মন্দির নির্মাণ তদারকির জন্য একটি বিশেষ কমিটি বা ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, স্বায়ত্বশাসিত ওই ট্রাস্টে ১৫ জন ট্রাস্টি থাকবেন। যাদের মধ্যে একজন দলিত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি থাকবেন।
[আরও পড়ুন: অযোধ্যায় প্রাণ দিয়েছিলেন দুই করসেবক ভাই, রাম মন্দির ট্রাস্টের সদস্য হতে চান বোন]
সর্বশেষ খবর
-
‘দর্শক আমার ছবি ব্লকবাস্টার করবে’, পুজো রিলিজ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সৃজিত
-
উপনির্বাচনের আগেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে হুমায়ুন? রেজিনগরে নয়া সমীকরণ!
-
গান্ধীজয়ন্তীতে মহাচমক! বাপুকে স্মরণ করে ‘জাতির জনক’ অবতারে এলেন মনোজ বাজপেয়ী
-
সোশাল মিডিয়ায় জাত তুলে গালি, তফসিলি জাতি-উপজাতি আইনে বিচার হবে, রায় কলকাতা হাই কোর্টের
-
১৯৬৭-তে চন্দননগরে আসেন সন্ন্যাসী সুভাষচন্দ্র! কেউ জানত না?