সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টানা বছর চোদ্দ ধরে পুলিশের জাল কেটে অনেকবার পালিয়েছে সে৷ অবশেষে ধরা পড়ল গোধরা কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত ফারুক বান্না৷ বুধবার বান্নাকে গ্রেফতার করে গুজরাত পুলিশের সন্ত্রাস দমন শাখা (এটিএস)৷ মধ্য গুজরাতের পঞ্চমহল জেলার কালোল তক নাকা এলাকা থেকে বান্নাকে ধরেন গোয়েন্দারা৷
এটিএস শাখার সুপার হিমাংশু শুক্লা জানান, ‘পারিবারিক একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতেই কালোল তক নাকা এলাকায় আসে ফারুক বান্না৷ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সেই আস্তানায় হানা দেন গোয়েন্দারা৷ একদশক পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালালেও অবশেষে ধরা পড়ে বান্না৷ শীঘ্রই সুপ্রিমকোর্ট নিযুক্ত বিশেষ তদন্তকারী দলের হাতে বান্নাকে তুলে দেওয়া হবে বলে পুলিশে সূত্রে খবর৷
২০০২ সালে গোধরা স্টেশনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় যাত্রিবাহী সবরমতী এক্সপ্রেস ট্রেনে৷ তদন্তে প্রকাশ হয়, পেট্রোল ঢেলে জ্বালিয়ে দেওয়া হয় সবরমতী এক্সপ্রেসের এস-সিক্স কোচ৷ কোচের মধ্য জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় ৫৯ জন যাত্রীর৷ নিহতদের সিংহভাগই ছিল করসেবকরা৷ মৃতদের মধ্যে বহু মহিলা এবং শিশুও ছিল৷ অভিযোগের তির ওঠে ফারুক বান্নার দিকে৷ এই ঘটনার পরই সারা রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা৷ তাতে মৃত্যু হয় এক হাজার ১০০ জনের৷ ২০১১ সালে বিশেষ আদালত দোষী সাব্যস্ত করে ৩১ জনকে৷ ১১ জনকে ফাঁসির সাজা দেওয়া হয় এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় ২০ জনকে৷ বান্না ছাড়াও এখনও পলাতক পাঁচ জন৷ প্রমাণের অভাবে বেকসুর খালাস হয় ৬৩ জন৷
সর্বশেষ খবর
-
মাথার দাম ১ কোটি, বঙ্গেই গা ঢাকা! মদনকে জেরায় মাওবাদী নেতা আকাশের তথ্য পেল পুলিশ
-
ভবানীপুরে বিজেপি কর্মীকে মারধর, মাকে শ্লীলতাহানি! পুলিশের জালে তৃণমূল নেতা
-
‘টোটো অবৈধ, এ বার ই-রিকশা’, ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের
-
বিচ্যুতি দেখলেই ‘অ্যাকশন’, ‘তোলাবাজ’ ধরতে জেলা পর্যবেক্ষকদের গুরুদায়িত্ব শমীকের!
-
যশের দ্বৈত চরিত্রে ঘায়েল দর্শক, ‘টক্সিক’-এর ট্রেলারে উঠে এল নয়ের দশকের অন্ধকার জগৎ