২১ দিনে ডেঙ্গু চিকিৎসার বিল ১৬ লক্ষ টাকা, তবুও বাঁচল না আক্রান্ত বালক

কাঠগড়ায় ফের বেসরকারি হাসপাতাল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৪, ২০১৭, ১৪:৫৩

options
link
২১ দিনে ডেঙ্গু চিকিৎসার বিল ১৬ লক্ষ টাকা, তবুও বাঁচল না আক্রান্ত বালক

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কেবলমাত্র ডেঙ্গুর চিকিৎসা করাতে কিনা হাসপাতালের বিল হয়েছিল ১৮ লক্ষ টাকা! তবুও বাঁচেনি সাত বছরের শিশুকন্যা। কাঠগড়ায় উঠেছিল দিল্লির ফর্টিস হাসপাতাল চিকিৎসা পরিষেবা। শোরগোল পড়ে গিয়েছিল গোটা দেশে। তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন খোদ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এবার একই অভিযোগ উঠল গুরুগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে। যেখানে আট বছরের এক শিশুর ২১ দিন ধরে ডেঙ্গুর চিকিৎসার পর রোগীর আত্মীয়দের প্রায় ১৬ লক্ষ টাকার বিল ধরানো হল। আর দুর্ভাগ্যবশত এখানেও বাঁচেনি ওই আক্রান্ত বালক। ঘটনায় ওই হাসপাতাল চত্বরে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য।

Advertisement

[লোকাল ট্রেনে এসি! দেশে প্রথম আরামের যাত্রা মুম্বইয়ে]

জানা গিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতেই জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিল বালকটি। এরপরই তাকে গুরুগ্রামের মেদান্তা হাসপাতালে ভরতি করা হয়। জানা যায়, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত শিশুটি। সেই মতো চিকিৎসা শুরু হয় তার। তবে ২১ দিন পরও সে সুস্থ না হওয়ায় ডাক্তাররা শিশুটিকে অন্যত্র ভরতি করার কথা জানান। কিন্তু এরপর হাসপাতালের পক্ষ থেকে রোগীর পরিবারকে ১৫.৮৮ লক্ষ টাকার বিল দেওয়া হয়। যা দেখে চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় ওই পরিবারের। যদিও এরপর শিশুটিকে সরকারি হাসপাতালে ভরতি করলেও আর বাঁচানো যায়নি। গত শুক্রবার মেদান্তা হাসপাতালের নামে থানায় মামলা দায়ের করে ওই পরিবার। গুরুগ্রাম থানার পুলিশ আধিকারিকরাও অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[বহু মানুষের প্রাণ বাঁচিয়ে শেহবাগের ‘হিরো’ হয়ে উঠল এই কিশোর]

মৃত শিশুটির বাবা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ এনেছেন। চিকিৎসার নামে লুটপাট চালাচ্ছে বেসরকারি হাসপাতালটি। এমনটাই দাবি তাঁর। বলেন, ‘আমার শিশু ২১ দিন ধরে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। ওরা আমাদের ১৫.৮৮ লক্ষ টাকার বিল ধরিয়েছে। আমরা অনেকের কাছে টাকা চেয়েছি। ওই হাসপাতাল চিকিৎসার নামে আমাদের সর্বস্বান্ত করেছে।’ এর সঙ্গেই তিনি জানান, যখন চিকিৎসকরা বুঝতে পেরেছেন তাঁর ছেলে এখানে সুস্থ হবে না তখনই তাঁরা শিশুটিকে অন্যত্র স্থানান্তরিত করার চাপ দিতে থাকেন। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

Advertisement

[আগামী বছর হজে যাওয়ার জন্য আবেদন রেকর্ড সংখ্যক মুসলিম মহিলার]

এর আগে আধ্যা নামে এক শিশুকন্যার ডেঙ্গুর চিকিৎসার জন্য বিল ছাড়িয়ে যায় ১৮ লক্ষ টাকা। ১৫ দিন লড়াইয়ের পর ফর্টিস হাসপাতাল থেকে রোকল্যান্ড হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার পরই মৃত্যু হয় সাত বছর বয়সি শিশুকন্যাটির। ওই ঘটনাটির পরই বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। এরপরও যে পরিস্থিতি বদলায়নি এই ঘটনাটি তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল।

[অভিনব কায়দায় দূষণ রোধের বার্তা, গিনেস বুকে নাম তুলল স্কুল পড়ুয়ারা]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.