HAL

‘প্রচণ্ড’ আঘাতে গুঁড়িয়ে যাবে শত্রু! সেনার হাতে ১৫৬টি অত্যাধুনিক চপার তুলে দেবে হ্যাল

মোট ৬২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা খরচ হবে এই প্রকল্পে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৫, ১৬:২০

options
link
‘প্রচণ্ড’ আঘাতে গুঁড়িয়ে যাবে শত্রু! সেনার হাতে ১৫৬টি অত্যাধুনিক চপার তুলে দেবে হ্যাল
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নতুন করে সেজে উঠতে চলেছে ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি হালকা ওজনের চপার প্রচণ্ড। এই চপারের যুদ্ধক্ষমতা আরও বাড়ানোর দিকে নজর দিয়েছে হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড। এই প্রকল্পে মোট ৬২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা খরচ হবে বলে জানা গিয়েছে। সংসদের ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটির তরফ থেকে অনুমোদন পাওয়ার পরে ২৮ মার্চ এই নির্দেশ চূড়ান্ত করা হয়। হ্যাল এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

Advertisement

লাইট কম্ব্যাট হেলিকপ্টার প্রচন্ড-র নির্মাতা হ্যাল, সেনাবাহিনী এবং বিমানবাহিনী উভয়ের জন্যই এই হেলিকপ্টারে উন্নত সংস্করণ সরবরাহ করবে। ২০২৭-২৮ সালে শুরু করে ২০৩৩ সালের মধ্যে প্রচণ্ডর উন্নততর সংস্করণ সরবরাহ করা কাজ সম্পূর্ণ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। এই প্রোজেক্টে মোট ১৫৬টি প্রচণ্ড চপার তৈরি করা হবে। এর মধ্যে ৯০টি সেনাবাহিনীর জন্য এবং ৬৬টি বিমানবাহিনীর জন্য। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, এই নতুন সংস্করণে সাতটি উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি আকাশ থেকে মাটিতে আক্রমণের মিসাইল। এছাড়াও থাকবে লেজারের গাইডেড রকেট, আধুনিক ইলেকট্রনিক যুদ্ধের ব্যবস্থা। এছাড়াও থাকবে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ খোঁজার ক্ষমতা, গোপন এবং সুরক্ষিত তথ্য আদান প্রদানের ব্যবস্থা, বাধা এড়ানোর ব্যবস্থা এবং নির্দিষ্ট লক্ষে নির্দেশিত ইফ্রারেড প্রতিরোধ ব্যবস্থা। এই সাত নতুন প্রযুক্তির পাশাপাশি পাইলটদের দক্ষতা এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যে আক্রমণের ক্ষমতা উন্নত করার জন্য আরও চারটি গুরুত্বপূর্ণ আপডেট থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে উন্নত ইলেকট্রো-অপটিক্যাল টার্গেটিং পড এবং একটি হেলমেটে লাগানো সাইটিং সিস্টেম।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই ১৫টি লিমিটেড সিরিজের চপার সরবরাহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০টি বায়ুসেনার জন্য এবং ৫টি সেনাবাহিনীর জন্য। এই চপারগুলিতে ইতিমধ্যেই আকাশ থেকে আকাশে আক্রমণের মিসাইল, রকেট এবং চপারে লাগানো বন্দুক রয়েছে। ৫০০০ মিটারেরও বেশি উচ্চতায় কাজ করতে সক্ষম প্রচণ্ড। শত্রুর আকাশ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ধ্বংস করার ক্ষমতা রয়েছে এই চপারের।

হ্যালের এই প্রজেক্ট, দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। এর মাধ্যমে প্রায় ২৫০ দেশীয় সংস্থার সহায়তা এবং প্রায় ৮ হাজার ৫০০ জনের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। হেলিকপ্টারগুলি কর্ণাটকের তুমাকুরুতে হ্যালের কারখানায় তৈরি করা হবে। সেখানে বছরে ৩০টি হেলিকপ্টার তৈরি হয়। যদিও, প্রয়োজনে বছরে ১০০ ইউনিটে উৎপাদনের সুযোগ আছে এই কারখানায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন