সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২০ সালের মতো এবারও দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের মূল ইস্যু হিসাবে উঠে এসেছে যমুনা দূষণ। চাপের মুখে যমুনার জল নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে নিজের উপর চাপ আরও বাড়িয়ে নিয়েছেন আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কেজরিকে ইতিমধ্যেই নিজের বক্তব্য প্রমাণ করার জন্য ডেডলাইন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এবার হরিয়ানা পুলিশও আপ সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে মামলা করার হুঁশিয়ারি দিল।
২০২০ সালে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের আগে যমুনা নদীকে পরিচ্ছন্ন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন কেজরিওয়াল। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি। কেজরি সেটা মেনেও নিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ২০২০ সালের ইস্তেহারে আমরা তিনটি গ্যারান্টি পূরণ করতে পারিনি। এবারের ইস্তেহারে সেগুলি রাখা হয়েছে। কারণ সেই সময় কোভিডের কারণের কাজ প্রভাবিত হয়েছিল। এবং মিথ্যে মামলায় আমি জেলবন্দি হই। তবে এবার ক্ষমতায় এলে এই সব প্রতিশ্রুতি আমরা পূরণ করব।
প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারেননি মেনে নিলেও যমুনার বর্তমান পরিস্থিতির জন্য বিজেপিকে দায়ী করেছেন কেজরি। তাঁর অভিযোগ, হরিয়ানা থেকে সেরাজ্যের বিজেপি সরকার যমুনার জলে বিষ মেশাচ্ছে। সেই বিষ রুখতে আগে থেকে পদক্ষেপ করেছে আপ সরকার। আপ প্রধানের ওই মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল তৈরি হয়। এরপরই কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বিজেপি এবং কংগ্রেস।
নির্বাচন কমিশন কেজরির এই মন্তব্যে কড়া অবস্থান নিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, কোনও একটা রাজ্যের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ ছাড়া এভাবে অভিযোগ করা যায় না। বুধবার রাত আটটার মধ্যে নিজের বক্তব্যের প্রমাণ দিতে হবে আপ সুপ্রিমোকে। বিতর্কের এখানেই শেষ নয়। এবার আসরে নেমেছে হরিয়ানার বিজেপি সরকারও। হরিয়ানার মন্ত্রী বিপুল গোয়েল বলছেন, কেজরিওয়াল ভুয়ো তথ্য ছড়িয়ে হরিয়ানাবাসীকে বিভ্রান্ত করেছেন। হরিয়ানা সরকার ওকে ছাড়বে না।
সর্বশেষ খবর
-
যুদ্ধ আবহে চরমে জ্বালানি-জ্বালা! ‘২০৪৭-এ বিকশিত ভারত গড়বই’, লালকেল্লায় ‘আত্মনির্ভরতা’র বার্তা মোদির
-
‘কর্মযোগ’ ও ‘স্বাধীনতা’-র ধারণা দিয়েছিলেন ঋষি অরবিন্দ
-
‘তেল পাবেন না, গ্যাস পাবেন না, মানুষকে ভয় দেখিয়েই আনন্দ’, লালকেল্লায় বিরোধীদের বিঁধলেন মোদি
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর