Himanta Biswa Sarma

স্বামীর একাধিক বিয়ে! নালিশ স্ত্রীর, অভিযোগ শুনেই পুলিশকর্মীকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ হিমন্তের

বহুগামিতা আইনত নিষিদ্ধ অসমে। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদন্ডের নিদান দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০২৬, ১৫:২৩

options
link
স্বামীর একাধিক বিয়ে! নালিশ স্ত্রীর, অভিযোগ শুনেই পুলিশকর্মীকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ হিমন্তের
হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। ফাইল চিত্র।

দুর্নীতি, অপরাধে জিরো টলারেন্স। এবার এক পুলিশকর্মীকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। এক মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে ওই পুলিশকর্মীকে অবিলম্বে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। অভিযোগ, তাঁর স্বামী তাঁকে ডিভোর্সের হুমকি দিয়ে অন্য এক মহিলাকে বিয়ে করেছেন। এর পরেই ওই পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

Advertisement

বহুগামিতা আইনত নিষিদ্ধ অসমে। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদন্ডের নিদান দেওয়া হয়েছে। গত বছর এই সংক্রান্ত বিল পাস হয়।

সম্প্রতি সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনার জন্য আয়োজিত জনতা দরবার কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই ওই মহিলা তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে বহুবিবাহের অভিযোগ তোলেন। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে গোটা ঘটনা খুলে বলেন। এরপরেই ওই কর্মসূচিতে উপস্থিত পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। স্পষ্ট জানান, ”আজ রাতের মধ্যেই ওঁকে গ্রেপ্তার করুন।” সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর এহেন নির্দেশ পাওয়া মাত্র অভিযুক্ত ওই পুলিশকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইন ভাঙার ক্ষেত্রে অসম সরকার ‘জ়িরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে চলছে। এহেন ঘটনা যে কোনওভাবেই বরদাস্ত নয়, ওই কর্মসূচিতে উপস্থিত পুলিশ এবং প্রশাসনের কর্তাদের স্পষ্ট জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত। শুধু তাই নয়, সরকারি কর্মচারী বা আধিকারিকদের এই আইন মেনে চলার দায় আরও বেশি তাও জানিয়ে দেন তিনি।

Advertisement

বলে রাখা প্রয়োজন, বহুগামিতা আইনত নিষিদ্ধ অসমে। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদন্ডের নিদান দেওয়া হয়েছে। গত বছর এই সংক্রান্ত বিল পাস হয়। এরপর থেকেই বহুবিবাহের বিরুদ্ধে রাজ্যজুড়ে তীব্র অভিযান শুরু করেছে। শুধু তাই নয়, অসম সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, কোনও ব্যক্তি বহুবিবাহে লিপ্ত থাকলে সরকারের কোনও সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। এমনকী সরাসরি চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হতে পারে বলেও রয়েছে উল্লেখ। এরমধ্যেই এদিন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার এহেন পদক্ষেপ সে রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় সতর্কবার্তা বলেই মনেই করা হচ্ছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.