তামিলনাড়ু

শতাধিক দরিদ্রের খাবারের ঠিকানা কাবেরী সেতু, সামাজিক দূরত্ব মেনেই চলছে আয়োজন

দরিদ্রদের খাওয়ানোর দায়িত্ব নেয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২০, ১৬:০৯

options
link
শতাধিক দরিদ্রের খাবারের ঠিকানা কাবেরী সেতু, সামাজিক দূরত্ব মেনেই চলছে আয়োজন

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তামিলনাড়ুর ত্রিচিতে রয়েছে কাবেরী সেতু। এই সেতুর উপরেই বাসিয়ে দরিদ্রদের খাওয়ানো হচ্ছে লকডাউনে। রোজই প্রায় শতাধিক মানুষ এই সেতুতে খাবারের আশায় আসেন। তবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই চলে সেই আয়োজন।

Advertisement

দীর্ঘ কাবেরীসেতু। যতদূর দেখা যায় শেষ খুঁজে পাওয়া যায় না। সেই সেতুর উপরে লাইন করে বসে শতাধিক মানুষ। দূর থেকে সেই সেতুর ছবি দেখলে করোনা আতঙ্কের মাঝে আরও ভয় হতেই পারে। কিন্তু কাছ থেকে দেখলে বোঝা যাবে, ভয় নয় সচেতনতাই রয়েছে এই ছবির প্রতিটি ছত্রে। লকডাউনের জেরে তামিলনাড়ুতে আটকে বহু শ্রমিক। টাকার অভাবে সমস্যর মুখে তাঁরা ও রাজ্যের বহু মানুষ। তাই তাঁদের খাওয়াতে ত্রিচিতে থাকা এই দীর্ঘ সেতুতে সেই আয়োজন করা হয়েছে। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, প্রায় শতাধিক শ্রমিক একহাতের দূরত্ব বজায় রেখে বসেছেন। প্রত্যেকেই ব্যক্তিগত সুরক্ষারও খেয়াল রেখেছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই অঞ্চলের জেলা শাসকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পরিযায়ী শ্রমিকদের খাবার খাওয়ানোর জন্য তাঁর সঙ্গে আলোচনা করে একটি বড় জায়গার খোঁজ করছিলেন। এরপরই জেলা শাসক যাবতীয় আয়োজন করেন। তিনি জানান, খাবারের সময়গুলো শ্রমিকদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। যেমন- সকাল সাড়ে আটটায় প্রাতঃরাশ, দুপুরের খাবারের সময় ১টা বিকেল ৬টায় চা খাওয়ানো হয়, রাত ৮টায় রাতের খাবার। এই এলাকায় যে মানুষেরা খাবারের খোঁজে আসেন তাঁদের মধ্যে শ্রমিক, গৃহহীন, ভিক্ষুকদের সংখ্যাই বেশি।

[আরও পড়ুন:Covid-19 পরীক্ষা বাড়ানোর ভাবনা, এবার বিশ্ববিদ‌্যালয়ের পিসিআরে হবে করোনা নির্ণয়]

তবে শহরের কমিশনার জানান, এখানে যাঁদের খাবারের আয়োজন করা হয়েছে তারা এই শহরেরই মানুষ। লকডাউনের জেরে তারা অসহায় হয়ে পড়েছেন। কেউ চাকরি হারিয়েছেন, কেউ বা পথে থাকেন এই সময় খাবার জোগাড় করতে পারছেন না। তবে স্বেচ্ছাসেবকরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই তাদের খাবার খেতে দিচ্ছেন। একহাতের দূরত্ব বজায় না রাখলে তাঁদের খেতে দেওয়া হবে না বলে জানা যায়। এমনকি সেতুর উপরেই চক দিয়ে স্থানগুলি আলাদা করে চিহ্নিত করে রাখা হয়। সেই নির্দেশ মেনেই চলছে প্রতিদিনের রোজনামচা।

[আরও পড়ুন:অ্যাম্বুল্যান্স চালকদের উদ্যোগ, চেন্নাই থেকে মিজোরাম ফিরল যুবকের কফিনবন্দি দেহ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.