I-PAC Case

আইপ্যাক মামলায় উঠে এল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কথা, মৌলিক অধিকার নিয়ে প্রশ্ন রাজ্যের

আইপ্যাক মামলায় এদিন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রসঙ্গও

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০২৬, ১৬:০৫

options
link
আইপ্যাক মামলায় উঠে এল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কথা, মৌলিক অধিকার নিয়ে প্রশ্ন রাজ্যের
ফাইল ছবি।

সংবিধানের ৩২ নম্বর ধারায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কিন্তু কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার এহেন অভিযোগ করার কোনও এক্তিয়ার নেই বলে সুপ্রিম কোর্টে জোরাল সওয়াল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী মনু সিংভির। শুধু তাই নয়, ৩২ নম্বর ধারা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রাজ্যের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীর। আদালতে তাঁর সওয়াল, রাষ্ট্রের জন্য সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদ নয়, নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য তৈরি। এই প্রসঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কথাও এদিন আইপ্যাক মামলায় তুলে ধরেন মেনকা গুরুস্বামী। 

Advertisement

রাত পোহালেই বঙ্গে প্রথম দফার নির্বাচন। তার আগেই আজ, বুধবার সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলার (I-PAC Case) শুনানি হয়। সেই শুনানিতে এদিন ইডির অধিকার নিয়ে একদিকে জোর সওয়াল-জবাব হয়, অন্যদিকে রাজ্য এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সংবিধানের ৩২ নম্বর ধারায় ইডির অভিযোগ নিয়েও একাধিক যুক্তি তুলে ধরেন আইনজীবী মনু সিংভি এবং মেনকা গুরুস্বামী। আদালতে মনু সিংভির সওয়াল, শুধু ব্যক্তির জন্য কিছু অধিকার রয়েছে। কোনও সংস্থার জন্য তা নয়। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সংস্থা হিসাবে ইডির ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। শুধু তাই নয়, ইডির একজন আধিকারিক যেহেতু পিটিশন দায়ের করেছেন, সেই আবেদনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মনু সিংভি।

Advertisement

তাঁর কথায়, একজন ইডি আধিকারিক হিসাবে তদন্তের ক্ষেত্রে কোনও আলাদা অধিকার দাবি করা যায় না। আইনজীবীর যুক্তি, ইডি নিজে রাষ্ট্রের শক্তিশালী সংস্থা। তার রাষ্ট্রের সুরক্ষা চাই, ইডি বলতে পারে না। এই অবস্থায় ইডির মতো কোনও সংস্থা সিবিআই তদন্তের আবেদন জানালে তা কোন মৌলিক অধিকারের ভিত্তিতে? প্রশ্ন সিংভির। এরপরেও সিবিআই অনুমতি দেওয়া হলে তা অবাস্তব হবে বলে দাবি আইনজীবীর। শুধু সিংভি নন, ইডির মামলা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীও। তাঁর বক্তব্য, ৩২ নম্বর ধারা সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষার জন্য। এক্ষেত্রে ইডি এবং ইডির একজন আধিকারিক যেভাবে এই ধারা ব্যবহার করছে, সেক্ষেত্রে এই ধারার আসল উদ্দেশ্য নষ্ট হবে বলে দাবি। এমনকী সাধারণ মানুষের অধিকার এক্ষেত্রে দুর্বল হয়ে যাবে বলে সওয়াল গুরুস্বামীর।

Advertisement

আর এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়েই এদিন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন আইনজীবী। বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পর একটি ধারনা বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে, প্রত্যেক দেশের নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রাষ্ট্র কখনই লঙ্ঘিত করতে পারে না। রাষ্ট্রের হাত থেকে নাগরিকদের সুরক্ষা দেওয়াই এই অধিকারগুলির মূল উদ্দেশ্য বলেও সওয়াল রাজ্যের আইনজীবী গুরুস্বামীর। এছাড়াও এদিন সওয়াল-জবাবে একাধিক বিষয় উঠে আসে। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.