নিসর্গ

উত্তাল সমুদ্রে চোখ রাঙাচ্ছে ‘নিসর্গ’, মুম্বইয়ে জারি রেড অ্যালার্ট

মহারাষ্ট্র ও গুজরাটের বিভিন্ন এলাকায় মোতায়েন রয়েছে NDRF।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০২০, ১০:৫২

options
link
উত্তাল সমুদ্রে চোখ রাঙাচ্ছে ‘নিসর্গ’, মুম্বইয়ে জারি রেড অ্যালার্ট

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নিসর্গর অপেক্ষায় প্রহর গুনছে মুম্বইবাসী। কিছুদিন আগে দক্ষিণবঙ্গকে তছনছ করেছে সুপার সাইক্লোন আমফান। এবার সেই একই অবস্থা হতে পারে বাণিজ্যনগরীরও। ইতিমধ্যেই মুম্বইজুড়ে জারি হয়েছে রেড অ্যালার্ট। মৌসম ভবন যা ইঙ্গিত দিয়েছে, সেই অনুসারে এই শহরের ইতিহাসে এমন সাইক্লোন আগে ঘটেছে কিনা সন্দেহ।

Advertisement

সাইক্লোন নিসর্গর প্রভাবে বুধবার শহর থেকে মাত্র ১১০ কিলোমিটার দূরে প্রবল বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা। এর ফলে উপকূলবর্তী রাজ্যগুলিতে বন্যাও হতে পারে। প্রতি ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার বেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। মনে করা হচ্ছে আগামী ৩৬ ঘণ্টায় আরও শক্তি বাড়াতে পারে ঘূর্ণিঝড় নিসর্গ। ৩ জুন সন্ধ্যায় এর স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা। এখনও পর্যন্ত মহারাষ্ট্র উপকূলে এই ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানবে বলে মনে করা হচ্ছে। মুম্বই ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিকে এ নিয়ে ইতিমধ্যেই সতর্ক করা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ আরও পড়ুন: ‘শিক্ষার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য’, কেন্দ্রের কাছে স্কুল না খোলার আরজি ২ লক্ষ অভিভাবকের ]

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে কথা বলেন। দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য রাজ্যের প্রস্তুতি নিয়ে তাঁদের মধ্যে পর্যালোচনা হয়। বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলিতে তারা ৯টি দল পাঠিয়েছে। তার মধ্যে মুম্বাইয়ের ৩টি, পালঘরে ২টি, থানেতে ১টি, রায়গড়ের ১টি, রত্নগিরিতে ১টি এবং সিন্ধুদুর্গের ১টি দল পাঠানো হয়েছে। NDRF প্রতিনিয়ত মহারাষ্ট্র সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিভাগ এবং জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। উপকূলবর্তী অঞ্চলে ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছেন NDRF-এর সদস্যরা। সংস্থার মূল কর্মকর্তা এস এন প্রধান জানিয়েছেন, নিসর্গ সুপার সাইক্লোন। অনুমান করা হচ্ছে ১০০ কিলোমিটারের বেশি গতিবেগ নিয়ে এটি স্থলভাগে আছড়ে পড়বে।

Advertisement

ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্র ও গুজরাটের উপকূলীয় অঞ্চল থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যত দ্রত সম্ভব খালি করে দেওয়া হবে উপকূলবর্তী এলাকা। দুই রাজ্যে বর্তমানে দাপট দেখাচ্ছে করোনা। বহু রোগী করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন। তাই নিসর্গর প্রভাবে যাতে বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাহত না হয়, সেই চেষ্টাও চালাচ্ছেন বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিকরা। মৎস্যজীবীদে সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। যাঁরা সমুদ্রে রয়েছে, তাঁদের যত দ্রুত সম্ভব ফিরে আসার কথাও বলা হয়েছে।

[ আরও পড়ুন: আনলকের দ্বিতীয় দিনেও ঊর্ধ্বমুখী দেশে করোনা সংক্রমণের গ্রাফ, আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২ লক্ষ ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন