মঙ্গলবার দিল্লি-দেরাদুন অর্থনৈতিক করিডোরের উদ্বোধনের মাধ্যমে উত্তরাখণ্ডের বিকাশে এক নয়া দিগন্ত খুলে গেল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে এই করিডোরের যাত্রা শুরু হওয়াকে রাজ্যের অর্থনীতির ‘গেমচেঞ্জার’ হিসাবে দেখছেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। তাঁর মতে, এই প্রকল্প রাজ্যের অর্থনীতি, পর্যটন ও কর্মসংস্থানকে আরও গতিশীল করে তুলবে।
আরও পড়ুন:
মঙ্গলবার দেরাদুনে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “উত্তরাখণ্ড রাজ্য গঠনের ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। এই করিডোর রাজ্যের অগ্রগতিতে একটি বড় মাইলফলক। পর্যটনের দৃষ্টিকোণ থেকে এই প্রকল্পটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি উত্তরাখণ্ডের উন্নয়নে নতুন গতি আনবে।” তিনি আরও বলেন, “সড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, আকাশপথ, রেলপথ এবং জলপথ যে কোনও দেশেরই জীবনরেখা। গত এক দশক ধরে উন্নত ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশ এই ধরনের জীবনরেখা নির্মাণে অবিরাম কাজ করে চলেছে।” দিল্লি মেট্রোর সম্প্রসারণ এবং নয়ডা বিমানবন্দরের মতো প্রকল্পগুলির কথা উল্লেখ করে মোদি বলেন, “২১০ কিলোমিটার দীর্ঘ দিল্লি-দেরাদুন করিডোর ভ্রমণের সময়, জ্বালানি খরচ এবং পরিবহন ব্যয় হ্রাস করবে, যার ফলে বিশেষভাবে উপকৃত হবেন কৃষক এবং ব্যবসায়ীরা।” এর পাশাপাশি, উত্তরাখণ্ডের গৌরবময় সামরিক ঐতিহ্যের প্রতিও এদিন শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।

অন্যদিকে, উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ধামি প্রধানমন্ত্রীকে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন। বলেন, “তাঁর প্রতিটি সফর রাজ্যে নতুন শক্তি ও উন্নয়নের সুযোগ নিয়ে আসে। ১২ হাজার কোটির এই প্রকল্প রাজ্যের অর্থনীতি, পর্যটন ও কর্মসংস্থানকে উল্লেখযোগ্যভাবে গতি দেবে।” তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভারত পরিকাঠামো, নারী ক্ষমতায়ন এবং জাতীয় সুরক্ষার ক্ষেত্রে বহুদূর অগ্রসর হয়েছে। উন্নয়নের নিরিখে উত্তরাখণ্ড দেশের মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করবে।”
সর্বশেষ খবর
-
শুভেন্দুর হুঁশিয়ারির পরই সুর নরম ‘স্যাটাভাঙা’ হুমায়ুনের! ‘নব্য বিজেপিদের বলেছি’ বলে ঘোরালেন কথা
-
শৈত্য পেরিয়ে ছন্দে দিল্লি-ঢাকার কূটনীতি! ভিসার পর বাংলাদেশে রেল কোচ রপ্তানি ভারতের
-
পানিহাটির ৫১০ বছরের ঐতিহ্য এবার কলকাতায়, চিঁড়া-দধি মহোৎসবে মাতলেন শয়ে শয়ে ভক্ত
-
শুনতেই চান না! জয়প্রকাশের জামিন-মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ
-
কোর্স ফি বকেয়া থাকলেও ফেরাতে হবে জমা রাখা সার্টিফিকেট, ডেন্টাল কলেজের মামলায় নির্দেশ হাই কোর্টের