ভারতের উপর নতুন করে সাড়ে ১২ শতাংশ শুল্ক চাপানোর প্রস্তাব দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন আইনসভা সেই সিদ্ধান্তে এখনও চূড়ান্ত সিলমোহর না দিলেও, এই ইস্যুতে নড়েচড়ে বসল ভারত। নয়াদিল্লির তরফে বার্তা দেওয়া হয়েছে, একতরফা ভাবে এই বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ার জন্য। আমেরিকাকে বলা হয়েছে, শুল্ক ইস্যুতে আমেরিকা যেন ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসে।
আরও পড়ুন:
বলপূর্বক শ্রমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা পদক্ষেপ না করার অভিযোগে ৬০টি দেশের উপর নতুন করে শুল্ক চাপানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা। এই তালিকায় ভারতের পাশাপাশি নাম রয়েছে চিন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রাজিল, সুইৎজারল্যান্ডের মতো দেশগুলির। এই সকল দেশের উপর ১২.৫ শতাংশ শুল্ক চাপানোর প্রস্তাব দিয়েছে মার্কিন বাণিজ্য দপ্তর। পাশাপাশি ব্রিটেন, কানাডা, মেক্সিকো, তাইওয়ানের উপর একই অভিযোগে ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক চাপানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই ভারতের তরফে আমেরিকাকে বার্তা দেওয়া হয়েছে। নয়াদিল্লি মনে করছে, মার্কিন প্রশাসন তদন্তের ভিত্তিতে যে প্রস্তাব দিয়েছে তাতে বেশকিছু অসঙ্গতি রয়েছে।
বলপূর্বক শ্রমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা পদক্ষেপ না করার অভিযোগে ৬০টি দেশের উপর নতুন করে শুল্ক চাপানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা। এই তালিকায় ভারতের পাশাপাশি নাম রয়েছে চিন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রাজিল, সুইৎজারল্যান্ডের মতো দেশগুলির।
এই অবস্থায় সাড়ে ১২ শতাংশ শুল্কের প্রস্তাব পুনর্বিবেচনা করার কথা বলেছেন ভারতের বাণিজ্য দপ্তরের যুগ্মসচিব ব্রিজমোহন মিশ্র। তিনি জানিয়েছেন, বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আমেরিকা যেন একতরফা ভাবে কোনও পদক্ষেপ না করে। ভারতের স্পষ্ট বার্তা, যদি কোনও সমস্যা থেকে থাকে তবে তা আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা হোক। বলপূর্বক শ্রমের যে দাবি করা হচ্ছে তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা ভারতের সাংবিধানিক কর্তব্য। আন্তর্জাতিক আইনের মতোই এটিকে গুরুত্ব দেয় নয়াদিল্লি। ফলে আমেরিকা যে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে তা সবদিক বিবেচনা করে নেওয়া হয়নি বলেই মনে করছে নয়াদিল্লি।
এদিকে ভারতের উপর নতুন করে আরও ৫০০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে আমেরিকায়। সম্প্রতি চারজন মার্কিন সেনেটর নতুন এক আইন পাশের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। এই আইনের মর্মার্থ, যেসমস্ত দেশ রাশিয়া থেকে এখনও শক্তিসম্পদ আমদানি করছে তাদের উপর বিপুল অঙ্কের শুল্ক চাপানো। অন্তত ৫০০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে বিলের প্রাথমিক খসড়ায়। ভারত দীর্ঘদিন ধরেই রুশ তেলের বড় ক্রেতা। ফলে নতুন আইন পাশ হলে ভারতের মাথাব্যথা বাড়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ভুয়ো কাগজ দেখিয়ে চার কোটির ব্যাঙ্ক প্রতারণা! হাওড়ায় গ্রেপ্তার ৩
-
আসছে বিশ্ব টি-২০ টুর্নামেন্ট, বিশ্বকাপ ফরম্যাট বদলাচ্ছে আইসিসি! এবার ৪০ ওভারে ওয়ানডে?
-
‘এ শহর আমার ভিতরই ছিল, নির্বাসন শেষে ফিরছি’, কলকাতা ফেরা নিয়ে আবেগে ভাসলেন তসলিমা
-
প্রেমচর্চা উসকে প্রকাশ্যে বিয়ের দিনক্ষণ! কেমন সাজবেন করণের প্রাক্তন স্ত্রী জেনিফার?
-
উত্তরপ্রদেশে গ্রেপ্তার মার্কিন নাগরিকের বয়ানে বহু অসঙ্গতি! বিনা পাসপোর্টে ভারতে কী করছিলেন ৭ মাস?