Sheikh Hasina

ইউনুসের অনুরোধে হাসিনাকে ফেরাবে নয়াদিল্লি? কী জানালেন বিদেশসচিব?

আগামী ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে স্বচ্ছ নির্বাচন চায় ভারত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৭, ২০২৫, ০৯:৫৭

options
link
ইউনুসের অনুরোধে হাসিনাকে ফেরাবে নয়াদিল্লি? কী জানালেন বিদেশসচিব?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রায় দেড় বছর ধরে ভারতের ‘রাজনৈতিক আশ্রয়ে’ রয়েছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওদিকে সেদেশে তাঁর বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার বিচার চলছে। এই অবস্থায় আগেই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য নয়াদিল্লির কাছে অনুরোধ জানিয়েছিল। তাতে এতদিন বিশেষ আমল দেয়নি বিদেশমন্ত্রক। তবে সোমবার এনিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করলেন বিদেশসচিব বিক্রম মিসরি। হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে তিনি জানালেন, এটি একটি বিচার বিভাগীয় এবং আইনি প্রক্রিয়া। এর জন্য দু’দেশের সরকারের মধ্যে আলোচনা এবং পরামর্শের প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর এই মন্তব্যে প্রশ্ন উঠছে, তবে কি আলোচনা ফলপ্রসূ হলে হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেবে দিল্লি? এই জবাব এখনও অধরা।

Advertisement

২০২৪ সালে বাংলাদেশে গণ-অভ্যুত্থানের জেরে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি থেকে বিদায় নিতে হয় মুজিবকন্যাকে। তিনি রাতারাতি দেশ থেকে পালিয়ে চলে আসেন নয়াদিল্লির ‘আশ্রয়ে’। সেই থেকে এদেশেই রয়েছেন হাসিনা। তাঁকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করা নিয়ে একাধিকবার সেখানকার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনুস অনুরোধ জানিয়েছেন। এবার এনিয়ে নয়াদিল্লির অবস্থান স্পষ্ট করে বিদেশসচিব বিক্রম মিসরি জানিয়েছেন, “এটি বিচারবিভাগীয় এবং আইনি প্রক্রিয়া। এর জন্য দু’দেশের সরকারের মধ্যে আলোচনার প্রয়োজন। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। এনিয়ে আমরা বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও একসঙ্গে কাজ করতে তৈরি। এই মুহূর্তে এর বেশি মন্তব্য করা উচিত বলে আমি মনে করি না।”

Advertisement

আগামী ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন। গণতান্ত্রিক সরকার তৈরির লক্ষ্যে এই নির্বাচন ঘোষণা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসই। এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে নয়াদিল্লি। এনিয়ে বিদেশসচিব বিক্রম মিসরি বলেন, ”বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার যে এই নির্বাচন চেয়েছে, তা জেনে আমরা খুশি। এ বিষয়ে কোনও সন্দেহের অবকাশ নেই যে বাংলাদেশে অবাধ, স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চায় ভারত। প্রত্যেক নাগরিক যেন নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে। প্রতিবেশী দেশে গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।” তবে হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে এখনই কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি নয়াদিল্লি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.