সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দক্ষিণ চিন ও বঙ্গোপসাগরে ক্রমশই বেড়ে চলেছে চিনা আগ্রাসন। লালফৌজের চোখে চোখ রাখতে পালটা প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে ভারতও। সমুদ্র শত্রুকে জব্দ করতে ‘নিঃশব্দে’ জলে নামল ভারতের চতুর্থ পারমানবিক ডুবোজাহাজ। নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর বিশাখাপত্তনম শিপ বিল্ডিং সেন্টার থেকে গত ১৬ আগস্ট সমুদ্রে নামানো হয়েছে ‘এস ৪’ কোড নামের এই সাবমেরিন।
জানা গিয়েছে, ১৬ আগস্ট সমুদ্রে নামানো হয় এই সাবমেরিনটি। তার একদিন আগেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং তেলেঙ্গানায় একটি নেভাল স্টেশন চালু করেন। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ নীতিতে ৭৫ শতাংশ দেশিয় প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে এই ডুবোজাহাজ। রিপোর্ট অনুযায়ী, ৩,৫০০ কিলোমিটার আঘাত হানতে পারে এমন ‘কে ৪’ পরমাণু মিসাইল বহনে সক্ষম এই জলযান। নয়া এই সাবমেরিনের এখনও কোনও সরকারি নাম ঠিক করা হয়নি আপাতত এর কোড নাম রাখা হয়েছে ‘এস ৪’। উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৯ আগস্ট ভারতের দ্বিতীয় পারমাণবিক সাবমেরিন আইএনএস অরিহন্তকে যুক্ত করা হয়েছিল নৌবাহিনীতে। আগামী বছর ভারতের তৃতীয় পারমাণবিক সাবমেরিন আইএনএস আরিঘাট নৌবাহিনীতে যুক্ত হবে। এরই মাঝে সমুদ্রে নামল দেশের চতুর্থ পারমানবিক সাবমেরিন।
দক্ষিণ চিন সাগর ও ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে গা জোয়ারি চালাচ্ছে লালফৌজ। এই পরিস্থিতিকে মাথায় রেখে নৌসেনার শক্তি বাড়াতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে ভারতও। চলতি বছরেই ভারতের পারমাণবিক সাবমেরিন তৈরির প্রকল্পে সবুজ সংকেত দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। গত ৯ আগস্ট এই ইস্যুতে ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানেই এই ইস্যুতে চলে দীর্ঘ আলোচনা। তার পরই সাবমেরিন তৈরির প্রকল্পে সবুজ সংকেত দেয় মোদি সরকার।
সর্বশেষ খবর
-
ডুরান্ডে হজম ১০ গোল, নিজের ক্লাবের সম্মানরক্ষায় মাঠে নামবেন টাইগার? মুখ খুললেন বলিতারকা
-
‘জেন জি’-র মন বুঝেছেন ভাগবত, ‘গণতান্ত্রিক অধিকারে’র স্বীকৃতি দিয়েই পাশে থাকতে চান আরএসএস প্রধান
-
‘অপদার্থ সন্তান’, বাদশাকে খোঁচা হানি সিংয়ের, ‘বাদশাহী’ জবাবে বাজিমাত র্যাপারের
-
বন-মানুষের শত্রুতা! মধ্যপ্রদেশে বন্যপ্রাণীর হানায় মৃত ৫০, আট মাসে ৪৫টি বাঘের মৃত্যু
-
‘এখনই কোনও পদক্ষেপ নয়’, ১৬টি এফআইআরে অভিষেককে সাময়িক রক্ষাকবচ দিয়ে জানাল হাই কোর্ট