শনিবার ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় রক্তাক্ত হয়েছে পাকিস্তান। করাচিতে আধাসেনা বাহিনীর ঘাঁটিতে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন তিন সিন্ধ রেঞ্জার্সের জওয়ান। এই ঘটনার দায় ভারতের কাঁধে চাপায় ইসলামাবাদ। তারপরই পাকিস্তানকে তোপ দাগল ভারত। ইসলামাবাদের দাবি খারিজ করে নয়াদিল্লি জানিয়েছে, আপনারা নিজের ঘরের দিকে তাকান। সন্ত্রাসী সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন।
আরও পড়ুন:
শনিবার সন্ধ্য়ায় করাচির সিন্ধ রেঞ্জার্সের সদর দপ্তরের সামনে ভয়াবহ এই বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর বেশ কয়েকটি ছোট ছোট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় ওই এলাকায়। ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় মানুষজন। বিস্ফোরণের পরই লাগাতার গুলির শব্দ শোনা যায়। পালটা জবাব দেয় পাক বাহিনীও। দীর্ঘক্ষণ দু’পক্ষের গুলির লড়াইয়ের পর মৃত্যু হয় ৬ জঙ্গির। ঘটনার জেরে পাকিস্তানজুড়ে হাই-অ্যালার্ট জারি করা হয়। কিন্তু কে বা কারা এই হামলা চালাল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একটি সূত্রের খবর, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে জামাত-উল-আহরার নামে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। কিন্তু একাধিক পাক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে এই হামলার জন্য ভারতকে দায়ী করা হয়। তারপরই ইসলামাবাদকে তোপ দাগে নয়াদিল্লি।
রবিবার বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল একটি বিবৃতি জারি করেন। সেখানে তিনি বলেন, “করাচির সাম্প্রতিক ঘটনার জন্য পাক প্রতিবেদনগুলিতে ভারতকে দায়ী করা হচ্ছে। এ ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে তা প্রত্যাখ্যান করছি।” তিনি আরও বলেন, “পাকিস্তানের অন্যের দিকে আঙুল তোলা বন্ধ করা উচিত। পরিবর্তে নিজেদের দেশের দিকে তাকানো উচিত। পাক ভূখণ্ডে সক্রিয় সন্ত্রাসী সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে অবিলম্বে পদক্ষেপ করা উচিত। পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় নীতি সন্ত্রাসবাদের উপর নির্ভর। সেখান থেকে তাদের বেরিয়ে আসা উচিত।”
সর্বশেষ খবর
-
ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত বিক্রি! এক সপ্তাহে তদন্ত শেষের নির্দেশ হাই কোর্টের
-
শোভনের হাতে পায়েস মুখ, সোহিনীর সাধভক্ষণে কী ছিল মেনুতে?
-
অন্নপূর্ণার আবেদন ‘আন্ডার প্রসেস’, বাতিল হবে না তো? জেনে নিন এই সময়ে কী করণীয়
-
যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যই মূল, ঢেলে সাজানো হচ্ছে শিয়ালদহ-বহরমপুর ডিভিশন
-
সোশাল মিডিয়ার ‘পরীক্ষা’য় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রিপোর্ট কার্ড, ‘ফ্রেন্ডস’ ভিডিও ডিলিটেও ফার্স্ট বয় মোদি!