Sugar prices

ইথানলের ধাক্কায় বাড়ছে চিনির দাম! বাজার নিয়ন্ত্রণে বড়সড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

গোটা বিশ্বে চিনির চাহিদা সবচেয়ে বেশি ভারতেই। তাছাড়া সামনে উৎসবের মরশুম আসছে। দুর্গাপুজো, দিওয়ালির মতো অনুষ্ঠানে চিনির চাহিদা আরও বেড়ে যাবে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৬, ১০:৩৫

options
link
ইথানলের ধাক্কায় বাড়ছে চিনির দাম! বাজার নিয়ন্ত্রণে বড়সড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের
ফাইল ছবি।

শুধু বিদেশ থেকে আমদানি নয়। বাজারে চিনির দাম কমাতে আরও বড়সড় সিদ্ধান্তের পথে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার। আসন্ন উৎসবের মরশুমে যাতে চিনির দাম হাতের বাইরে না চলে যায়, সেটা নিশ্চিত করতে সরকার মজুদদারি কড়া হাতে রুখতে চাইছে। কেন্দ্রের নয়া নির্দেশ, বড় বড় চিনি ব্যবসায়ী বা মজুতদাররা ১৫ দিনের বেশি চিনি গুদামে আটকে রাখতে পারবেন না।

Advertisement

মোদি সরকারের নয়া নির্দেশিকা বলছে, যে সব ব্যবসায়ীরা মাসে ১০ মেট্রিক টনের বেশি চিনি বেচাকেনা করেন, তাঁদের প্রতি ১৫ দিনের মধ্যে নিজেদের গুদামে মজুত সব চিনি বাজারে ছাড়তে হবে। সেটা নিশ্চিত করতে ১৫ দিন অন্তর অন্তর অভিযান চালাবে সরকার। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে এই বিধিনিষেধ চালু হবে। সেটা চলবে ৩০ নভেম্বর অর্থাৎ উৎসবের মরশুম শেষ হওয়া পর্যন্ত।

Advertisement

সংবাদসংস্থা রয়টার্স আগেই দাবি করেছে, দেশের বাজারে চিনির সংকট মেটাতে কার্যত নজিরবিহীন পদক্ষেপের পথে সরকার। প্রায় ১০ বছর বাদে চিনি আমদানি করতে পারে ভারত। চমকপ্রদ বিষয় হল, চিনি উৎপাদনে এতদিন যে ভারত শুধু স্বাবলম্বী ছিল তাই নয়, প্রতি বছর বড় অঙ্কের চিনি রপ্তানিও করত। কিন্তু এ বছর ইথানল উৎপাদনের জোরাল ধাক্কায় এতটাই অভূতপূর্ব সংকটের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে বিদেশ থেকে প্রচুর চিনি আমদানির কথা ভাবতে হচ্ছে।

Advertisement

আসলে গোটা বিশ্বে চিনির চাহিদা সবচেয়ে বেশি ভারতেই। তাছাড়া সামনে উৎসবের মরশুম আসছে। দুর্গাপুজো, দিওয়ালির মতো অনুষ্ঠানে চিনির চাহিদা আরও বেড়ে যাবে। এখন থেকে দাম নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে আগামী দিনে চিনিতে হাত দেওয়াই মুশকিল হয়ে দাঁড়াবে। চিনির দাম বাড়লে বহু খাদ্যসামগ্রীর দামই বেড়ে যেতে পারে। সমস্যায় পড়তে পারেন মিষ্টি ব্যবসায়ীরা। ফলে সার্বিকভাবে দেশের বাজারে বড়সড় ধাক্কার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এ বছর চিনির দাম যে বাড়তে পারে সে আশঙ্কা আগেই ছিল। বর্ষা অনিয়মিত হওয়ায় আখের উৎপাদন কিছুটা মার খেয়েছে। সমস্যা হল, উৎপাদন কম হওয়ার পাশাপাশি ইথানল কারখানায় চাহিদা বৃদ্ধি। দেশে ইথানলের সরবরাহ বাড়ানোর জন্য গত কয়েক বছরে ইথানল ফ্যাক্টারি বাড়াতে উৎসাহ দিয়েছে কেন্দ্র। ইথানল তৈরিতে প্রায় ৩০-৩৫ শতাংশ আখের রস প্রয়োজন। বিপুল চাহিদা মেটাতে এই কারখানাগুলি কৃষকদের কাছে কিছুটা বেশি দামে আখ কিনছে। যার ফলশ্রুতিতে এই মুহূর্তে চিনি মিলগুলিতে আখের সরবরাহ কম। কমছে উৎপাদন। এদিকে বাজারের চাহিদা মিটছে না। অবধারিতভাবে বাড়ছে চিনির দাম।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.