সমুদ্র থেকে পাকিস্তানে মরণকামড় বসাতে আমরা ১ মিনিট দূরে ছিলাম। অপারেশন সিঁদুর নিয়ে হুঙ্কার দিতে গিয়ে ১৯৭১ সালের যুদ্ধের কথা মনে করালেন নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল দিনেশ কে ত্রিপাঠি।
আরও পড়ুন:
বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ে একটি নৌ পদক প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন নৌসেনা প্রধান। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “এটা আর এখন গোপন কোনও বিষয় নয়। অপারেশন সিঁদুরে সমুদ্রপথে আমরা পাকিস্তানের উপর প্রায় আঘাত হেনেই ফেলেছিলাম। কয়েক মিনিট দূরে ছিলাম। ঠিক তখনই ইসলামাবাদ সামরিক অভিযান বন্ধের অনুরোধ জানায়।” তার বক্তব্য অনুযায়ী, এই অভিযানের সময় নৌবাহিনীর কার্যক্রম, সক্ষমতা এবং প্রস্তুতির স্পষ্ট প্রমাণ দিয়েছে, যা দেশের মানুষের মধ্যে বাহিনীর প্রতি বিশ্বাস বাড়িয়েছে।এছাড়াও তিনি উল্লেখ করেছেন, পশ্চিম উপকূলজুড়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রে মোদির সঙ্গে প্রায় ১৭ ঘণ্টার রাতভর সমুদ্রযাত্রা ছিল ভারতের সামুদ্রিক শক্তি এবং গভীরতার একটি বড় প্রদর্শন। এই যাত্রার মাধ্যমে নৌবাহিনীর দীর্ঘসময় ধরে সমুদ্রপথে সক্রিয় থাকার সক্ষমতাও তুলে ধরা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালের ভারত-পাক যুদ্ধে করাচি বন্দরে অত্যন্ত সফল অভিযান চালিয়েছিল ভারতীয় নৌবহর। একের পর এক মিসাইলের আঘাতে দাউদাউ করে জ্বলে উঠেছিল পাক বন্দর এবং পড়শি দেশের যুদ্ধ জয়ের স্বপ্ন। এই অভিযানের নাম ছিল ‘অপারেশন ট্রাইডেন্ট’। গোপন এই অভিযানে অংশ নিয়েছিল ভারতীয় নৌসেনার তিনটি যুদ্ধ জাহাজ– আইএনএস নিপাত, আইএনএস নির্ঘাত এবং আইএনএস বীর।
উল্লেখ্য, ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে ২৬ নিরস্ত্রকে হত্যা করে লস্করের ছায়া সংগঠন টিআরএফের চার জঙ্গি। এই হামলার জবাবে ৭ মে ভোর-রাতে অপারেশন সিঁদুর শুরু করে ভারত। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নয়টি জঙ্গিঘাঁটি। এরপর ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির জনবহুল এলাকা এবং সেনাঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় পাকিস্তান। সেই হামলা প্রতিহত করার পাশাপাশি প্রত্যাঘাত করে ভারত। তাতেই তছনছ হয়ে যায় পাকিস্তানের অন্তত ১১টি একধিক বায়ু সেনাঘাঁটি। ভারতীয় সেনার অভিযানে নিহত হয় ১০০ জনের বেশি জঙ্গি ও ৩৫-৪০ জন পাক সেনা। শেষ পর্যন্ত ইসলামাবাদের আর্জিতে সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয় নয়াদিল্লি।
সর্বশেষ খবর
-
১৫ বছর ধরে স্বাধীনতা দিবসে ঠাসা কর্মসূচি! আজকের দিনে কী করছেন গদিহারা মমতা?
-
স্বাধীনতার ৭৯ বছর পার! দেশের গণতন্ত্র পরিণত হলেও এখনও রয়েছে বহু চ্যালেঞ্জ
-
রাত বারোটাতেও লাইব্রেরিতে পড়ার সুযোগ! পড়ুয়াদের জন্য পুলিশি নিরাপত্তা রায়গঞ্জে
-
দুপুর হলেই ঘুমে ঢুলে পড়েন? নেপথ্যে স্রেফ ক্লান্তি নাকি গুরুতর সমস্যা, চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন…
-
উদয়নের জামিনে আপত্তি নেই! বিচারকের সামনেই বয়ান বদলে কী বললেন অভিযোগকারী?