২০২৪-এর মধ্যেই রেললাইনে ১০০ শতাংশ বৈদ্যুতিকীকরণ, ঘোষণা কেন্দ্রের

রেলপথের পুরোটাই হবে ‘জিরো এমিশন নেটওয়ার্ক’।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০২০, ১৪:১১

options
link
২০২৪-এর মধ্যেই রেললাইনে ১০০ শতাংশ বৈদ্যুতিকীকরণ, ঘোষণা কেন্দ্রের
প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২৪ সালের মধ্যে ১০০ শতাংশ রেলপথ বৈদ্যুতিকীকরণের লক্ষ‌্যমাত্রা স্থির করল ভারতীয় রেল। সোমবার কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ‌্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেন ‘‘আমরা আমাদের পরিবেশ সম্পর্কে অত‌্যন্ত সচেতন। সেই কারণেই ২০২৪ সালের মধ্যে দেশের সমস্ত রেলপথই বৈদ্যুতিকীকরণ হবে। আর ২০৩০ সালের মধ্যে রেল-নেটওয়ার্কের পুরোটাই হবে ‘নিট-জিরো এমিশন নেটওয়ার্ক’।’’ অর্থাৎ, ভারতের রেল নেটওয়ার্ক হবে সম্পূর্ণভাবে দূষণ-মুক্ত।

Advertisement

ইন্ডিয়া-ব্রাজিল বিজনেস ফোরামের এক আলোচনাসভায় রেলমন্ত্রী গোয়েল বলেন, “পরিবেশের প্রতি আমাদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আমরা বদ্ধপরিকর। আমরা ২০২৪ সালের মধ্যে রেল নেটওয়ার্কের যতটা সম্ভব ইলেকট্রিকের আওতায় নিয়ে আসা যায় তার চেষ্টা করছি। আশা করছি এই সময়ের মধ্যে সব ট্রেন ইলেকট্রিকে চালানো শুরু হয়ে যাবে।” তিনি আরও বলেন, “২০৩০ সালের মধ্যে আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে পুরো রেল নেটওয়ার্ককেই ইলেকট্রিকের আওতায় নিয়ে আসা। ফলে রেল থেকে কোনও রকমের পরিবেশ দূষণ হবে না। এটা সম্পূর্ণ ইলেকট্রিকে চলবে। এত বড় রেল নেটওয়ার্ক থাকা দেশের পুরোটাই ইলেকট্রিকে চালানোর ক্ষেত্রে বিশ্বে প্রথম দেশ হবে ভারত।” রেলের পরিষেবা আরও বাড়ানোর ক্ষেত্রে ব্রাজিলের সাহায্য নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রেল-নেটওর্কে দূষণের মাত্রা হ্রাসের ব‌্যাপারে বেশ কিছুদিন ধরেই চেষ্টা চালাচ্ছে রেলমন্ত্রক। নীতি আয়োগের তথ্য অনুযায়ী ২০১৪ সালে রেল থেকে নির্গত কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ ৬.৮৪ মিলিয়ন টন। এই পরিমাণ ধীরে ধীরে কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আর তার একমাত্র উপায় হল বিদু‌্যতের সাহায্যে ট্রেন চালানো। সেই পথেই এগোচ্ছে ভারত। গত বছরই বিদু‌্যতের মাধ্যমে পুরো রেল-নেটওয়ার্ক চালানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন গোয়েল। তিনি বলেছিলেন, বর্তমানে ট্রেনে কয়লার জোগান দেওয়ার জন্য যে খনিগুলো কাজে লাগানো হয়, একবার ট্রেন বিদ্যুতে চলতে শুরু করলে সেই খনিগুলোকে অন্য কাজে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। এতে আমাদের সম্পদের কার্যকারিতা আরও বাড়বে। বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম রেল নেটওয়ার্ক ভারতের। আমেরিকা, রাশিয়া ও চিনের পরেই ভারতের রেল নেটওয়ার্ক রয়েছে। ভারতের মোট ৬৭ হাজার ৩৬৮ কিমি দীর্ঘ রেল লাইন রয়েছে। ৭,৩০০ স্টেশন রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ১৩ হাজার প্যাসেঞ্জার ট্রেনে ২ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ ভ্রমণ করেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সংবিধানে আগ্রহী নন মোদি! কংগ্রেসের পাঠানো প্রতিলিপি ফেরাল প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.