বাঁকুড়া শহরের স্কুলডাঙা এলাকায় দীর্ঘদিনের যানজটের কারণ খুঁজতে গিয়ে রাস্তার পাশে গড়ে ওঠা একটি ‘অবৈধ’ ক্লাব ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিলেন বাঁকুড়ার বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা। পাশাপাশি রাস্তার ধারে থাকা কয়েকটি দোকানও সরিয়ে দেওয়ার কথা বলেন তিনি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে তিনি ঘটনাস্থল থেকেই প্রশাসনের এক আধিকারিককে ফোন করেন।
স্কুলডাঙার এই রাস্তা শহরের অন্যতম ব্যস্ত পথ। এই রাস্তা দিয়েই নিয়মিত বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অ্যাম্বুল্যান্স চলাচল করে। পাশাপাশি আশপাশে রয়েছে একাধিক স্কুল, কলেজ ও সরকারি-বেসরকারি অফিস। ফলে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এলাকায় যানবাহন ও মানুষের ভিড় লেগেই থাকে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, কয়েক বছর আগে গির্জা সংলগ্ন রাস্তার একাংশ দখল করে একটি ক্লাব তৈরি হয়। পরে তার আশপাশে আরও কয়েকটি দোকান গড়ে ওঠে। বিধায়কের অভিযোগ, এই নির্মাণগুলির কারণেই রাস্তা সরু হয়ে গিয়ে প্রায়ই যানজট তৈরি হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
রবিবার দুপুরে কাঞ্চনপুরে একটি কর্মসূচি সেরে ফেরার পথে স্কুলডাঙায় যানজটে আটকে যান নীলাদ্রিশেখর। তিনি গাড়ি থেকে নেমে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন এবং রাস্তার দখল ছেড়ে দেওয়ার জন্য কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলেন। এরপরই জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিককে ফোন করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। ফোনে তাঁকে বলতে শোনা যায়, অবৈধভাবে তৈরি হওয়া ক্লাবের কারণে রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে পড়েছে। দ্রুত তা ভেঙে ফেলার ব্যবস্থা না হলে তিনি নিজেই উদ্যোগ নেবেন। পরে বিধায়ক বলেন, “সরকারি রাস্তা কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। রাস্তা দখল করে কোনও অবৈধ নির্মাণ চলবে না। প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্লাব ও রাস্তার ধারের অবৈধ দোকান সরানোর জন্য বলেছি।” তিনি আরও জানান, রাস্তা পুরোপুরি দখলমুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সরকারি সম্পত্তি দখলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে ৭টি গাড়িতে মাংস পাচার! পুলিশি অভিযানে খড়্গপুরে গ্রেপ্তার ১৮
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা