fighter aircraft

আত্মনির্ভরতার পথে ভারত! রাফালের চেয়েও উন্নত যুদ্ধবিমান তৈরি হচ্ছে দেশেই

কী কী বিশেষত্ব আছে এই বিমানের?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৭, ২০২০, ০৯:৪৮

options
link
আত্মনির্ভরতার পথে ভারত! রাফালের চেয়েও উন্নত যুদ্ধবিমান তৈরি হচ্ছে দেশেই

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আত্মনির্ভরতার পথে আরও এক ধাপ। দেশের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ফ্রান্স থেকে এসেছে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান রাফালে। এবার তার চেয়েও উন্নত পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান (5th generation fighter aircraft) তৈরি হচ্ছে ভারতেই। গত তিন বছর ধরে আটকে থাকা কাজ মহামারী কালেই শুরু করে দিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

Advertisement

ফ্রান্স থেকে যেসব রাফালে যুদ্ধবিমান এসেছে তা ৪.৫ জেনারেশনের। অথচ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ফ্রান্স ইতিমধ্যেই পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরি করে ফেলেছে। এবার সেই কৃতিত্ব অধিকারি হতে চলেছে ভারতও। তবে ফিফথ জেনারেশনের এই যুদ্ধবিমান তৈরি করতে ভারতের আরও ন’বছর সময় লাগবে। অর্থাৎ ২০২৯ সাল নাগাদ এই যুদ্ধবিমান হাতে পাবে ভারত। সামরিক সজ্জার জন্যর বিদেশি সংস্থার উপর থেকে নির্ভরতা কমাতেই এই পথে হাঁটছে ভারত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন : কাশ্মীরে রাতভর গুলির লড়াই, নিকেশ দুই জেহাদি]

সূত্রের খবর, ফিফথ জেনারেশনের ওই যুদ্ধ বিমান তৈরিতে রাশিয়ার সাহায্য নেওয়ার কথা ছিল। ২০১৬ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে ৩৬টি রাফাল কেনার চুক্তির পরই এই যুদ্ধবিমান তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু ২০১৭ সালে সিদ্ধান্ত হয় ভারত নিজেই বানাবে ওই বিমান। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে যুদ্ধ বিমানের ডিজাইন তৈরি হয়ে গিয়েছে। এটি তৈরি করেছে এরোনটিক্যাল ডেভলপমেন্ট এজেন্সি ও এয়ারক্রাফট রিসার্চ অ্যান্ড ডিজাইন সেন্টার। বিমানটি তৈরি করবে হিন্দুস্থান এরোনটিক্স লিমিটেড (HAL)। তবে এই বিমানে অত্যাধুনিক ইঞ্জিনের জন্য ব্রিটেনে এক সংস্থার সঙ্গে কথা বলছে প্রতিরক্ষামন্ত্রক। 

কী কী বিশেষত্ব থাকবে এই যুদ্ধবিমানের?

Advertisement
  • এই এয়ারক্রাফ্টগুলি হবে মাল্টি রোল বা একাধিক ভূমিকা পালনকারী।
  • গ্রাউন্ড অ্যাটকের ক্ষেত্রে ভয়ংকর হবে ফিফথ জেনারেশনের বিমানগুলি।
  • বম্বিং ও ইন্টারসেপশনেও রাফালের চেয়ে বেশি ক্ষমতাশালী হবে। 
  • AESA ব়্যাডার, ডাটা ফিউশনের ক্ষমতা-সহ সমুদ্র ও ভূমির নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে এই যুদ্ধবিমান।
  • গতি হবে অনেক বেশি। সহজেই যে ওঠানামা করতে পারবে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন