Indore

লক্ষ্যমাত্রা সার উৎপাদনে ব্যর্থ, আরও ১০ একর জমি চায় ইন্দোরের গোবর্ধন বায়ো-সিএনজি প্লান্ট

দেশের মধ্যে স্বচ্ছ শহরের তকমা পেয়েছে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর। শহরকে জঞ্জালমুক্ত রাখতে সমস্ত বর্জ্যকে কাজে লাগাচ্ছে ইন্দোর পুরনিগম। পাশাপাশি দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য সিএনজি বাস চালু করা হয়েছে ইন্দোরে।

Advertisement
নিরুফা খাতুন
নিরুফা খাতুন

শেষ আপডেট: মার্চ ২, ২০২৬, ১৫:০১

options
link
লক্ষ্যমাত্রা সার উৎপাদনে ব্যর্থ, আরও ১০ একর জমি চায় ইন্দোরের গোবর্ধন বায়ো-সিএনজি প্লান্ট
জমির অভাবে লক্ষ্যমাত্রা সার উৎপাদন করতে পারছে না ইন্দোরের গোবর্ধন বায়ো-সিএনজি প্লান্ট।

জমির অভাবে লক্ষ্যমাত্রা সার উৎপাদন করতে পারছে না ইন্দোরের গোবর্ধন বায়ো-সিএনজি প্লান্ট। সার তৈরির জন্য ১০ একর জমি চেয়ে ইন্দোর পুরনিগমের দ্বারস্থ হয়েছে প্লান্ট কর্তৃপক্ষ। বায়ো-সিএনজি প্লান্ট তৈরি করেত দেওগুরাদিয়াতে ১৫ একর জমি দিয়েছিল ইন্দোর পুরনিগম। প্লান্ট কর্তৃপক্ষের চাহিদা মতো অতিরিক্ত জমি দিতে রাজি ইন্দোর পুরকর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি প্লান্টের তৈরি বায়ো গ্যাসের গুণমান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পুরনিগম।

Advertisement

দেশের মধ্যে স্বচ্ছ শহরের তকমা পেয়েছে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর। শহরকে জঞ্জালমুক্ত রাখতে সমস্ত বর্জ্যকে কাজে লাগাচ্ছে ইন্দোর পুরনিগম। পাশাপাশি দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য সিএনজি বাস চালু করা হয়েছে ইন্দোরে। গোবর্ধন বায়ো-সিএনজি প্লান্টের সিনএজি বাসে সরবরাহ করার কথা ছিল। পুরনিগম বর্জ্য বিভাজন করে ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্লান্টে পাঠিয়ে দিচ্ছে। জৈব বর্জ্য পাঠানো হয় গোবর্ধন বায়ো-সিএনজি প্লান্টে। পুরনিগমের পক্ষ থেকে ৫৫০ টনের মতো জৈব বর্জ্য এখানে পাঠানো হয়। ওই বর্জ্য দিয়ে তৈরি হয় বায়ো গ্যাস। দিনে ২০ টন গ্যাস তৈরি হয়। প্লান্টের এক আধিকারিক জানান, এখানে উৎপাদিত গ্যাসের ৫০ শতাংশ ইন্দোর পুর নিগমকে সরবরাহ করা হবে বলে চুক্তি করা হয়েছিল। বাকিটা ইন্ডাস্ট্রিকে সরবরাহ করা হবে। কিন্তু ইন্দোর পুরনিগম এখান থেকে সিএনজি নিচ্ছে না। ইন্দোরের মেয়র পুষ্যমিত্র ভার্গবের অবশ্য দাবি, “শুরুর দিকে ওই প্লান্টের সিএনজি দিয়ে বাস চালানো হচ্ছিল। কিন্তু বাসের জন্য যে মানের সিএনজি দরকার সেই গুণমান প্লান্টের তৈরি সিনএজিতে নেই। ফলে বাসের ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। সেজন্য ওই প্লান্ট থেকে সিএনজি নেওয়া বন্ধ করে দেয় পুরনিগম।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিকে এই বায়ো গ্যাস তৈরির কাজে যে বর্জ্য উৎপন্ন হচ্ছে তাও অপচয় করা হচ্ছে না। ওই বর্জ্য দিয়ে সার তৈরি করছে প্লান্ট কর্তৃপক্ষ। সেই সার ব্যবহার করা হচ্ছে কৃষিকাজে। ১৫ একর জমির উপর রয়েছে এই প্লান্ট। গোবর্ধন বায়ো-সিএনজি প্লান্টের আধিকারিক বিবেক দ্বিবেদী জানান, বায়ো গ্যাস তৈরি করতে যে বর্জ্য উৎপন্ন হচ্ছে তা জৈব সার হিসাবে ব্যবহার করা যায়। এর জন্য আলাদা কোনও প্লান্ট লাগে না। প্লান্ট থেকে বের হওয়া বর্জ্যকে টানা রোদে শুকনো করলে তা সার হয়ে যায়। তিনি জানান, প্লান্টে যে বর্জ্য উৎপন্ন হয় তা দিয়ে দিনে ১০০ টনের মতো সার তৈরি করা যেতে পারে। এত বর্জ্য রোদে শুকনো করার মতো জায়গা নেই। জমির অভাবে দিনে ৫০ থেকে ৬০ টন সার তৈরি করা যাচ্ছে। প্লান্টের এই বর্জ্য দিয়ে যাতে আরও বেশিমাত্রায় সার উৎপন্ন করা যায় তার জন্য ইন্দোর পুরনিগমের কাছে ১০ একর জমি চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। ইন্দোর পুরনিগম সূত্রে খবর, গোবর্ধন বায়ো-সিএনজি প্লান্ট কর্তৃপক্ষর জন্য অতিরিক্ত জমির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্লান্ট চত্বরে। প্লান্ট থেকে সার সরবরাহ করা হয় ন্যাশনাল ফার্টিলাইজার লিমিটেডকে। বাকি স্থানীয় কৃষকদের বিক্রি করা হয়।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.