সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সিন্ধু জলচুক্তি (Indus Waters Treaty) আর কখনই চালু করা হবে না। কারণ, প্রতিবেশী দেশটি চুক্তির শর্তাবলী লঙ্ঘন করেছে। ওরা এবার শুকিয়ে মরুক। সিন্ধু জলচুক্তি নিয়ে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক চুক্তি একতরফাভাবে বাতিল করা যায় না। তবে তা স্থগিত করার অধিকার রয়েছে। আমরা তা-ই করেছি। দুই দেশের শান্তি ও অগ্রগতির জন্য এই চুক্তির সূত্রপাত হয়েছিল। কিন্তু সেই শর্ত লঙ্ঘন করে পাকিস্তান। তাই আর কোনও রাস্তা নেই।”
পহেলগাঁও হামলার নিন্দা করে শাহ (Amit Shah) বলেন, “বৈসরনে নির্মমভাবে পর্যটকদের হত্যা করা হয়েছে। কাশ্মীর উন্নতির পথে এগোচ্ছিল। উপত্যকার শান্তি বিঘ্নিত করতে এবং কাশ্মীরি যুবকদের লক্ষ্যভ্রষ্ট করতেই এই পরিকল্পিত হামলা। ভারতও তাই এর কড়া জবাব দিতে দেরি করেনি। তবে কাশ্মীরের পরিস্থিতি ধীরে ধীরে আবার স্বাভাবিক হচ্ছে। পর্যটকরা ফিরছেন। এটি যথেষ্ট ইতিবাচক।”
৯ বছরের আলোচনার পরে ১৯৬০ সালে বিশ্ব ব্যাঙ্কের মধ্যস্থতায় সিন্ধু জলচুক্তি সই করে ভারত ও পাকিস্তান। চুক্তি অনুযায়ী, বিতস্তা ও চন্দ্রভাগার জলের উপরে পাকিস্তানের অধিকার ৮০ শতাংশ, ভারতের ২০ শতাংশ। তবে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ভারত ওই জল ব্যবহার করলেও তা আটকাতে পারবে না পাকিস্তান। সেই চুক্তি থেকে ভারত যদি সরে আসে, তাহলে গোটা পাকিস্তানের জল সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে বলেই বিশ্বাস বিশেষজ্ঞদের।
সর্বশেষ খবর
-
মধ্যপ্রাচ্যে ধুন্ধুমার! মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে ইরানের হুমকি, ‘নরকযন্ত্রণা ভোগ করবেন’
-
শিয়ালদহ শাখার ৮টি স্টেশনে বন্ধ হচ্ছে রিজার্ভেশন কাউন্টার! তালিকায় কোন কোন স্টেশন?
-
‘তৃণমূলের এত দুর্নীতি সহ্য হচ্ছে না’, ক্ষোভ উগরে কংগ্রেসে গাজোলের পরাজিত প্রার্থী প্রসেনজিৎ
-
সোমেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল! শুভেন্দু শিবিরের বিরুদ্ধে কোন পথে ঋতব্রত ও কালীঘাট তৃণমূল?
-
তারাতলা কাণ্ডে কালীচরণের হাওড়ার বাড়িতে সিট, ‘গোপন নথি’র খোঁজে ধৃতকে সঙ্গে নিয়ে তল্লাশি