LPG

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে অপ্রতুল গ্যাস! ‘নব্বই নস্ট্যালজিয়া’য় ফিরছে দেশ? জ্বালানি কাঠ-কয়লার চাহিদা তুঙ্গে

বুকিংয়ের পরেও গ্যাস না পেয়ে মাথায় হাত গৃহস্থের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২৬, ১৩:৪৪

options
link
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে অপ্রতুল গ্যাস! ‘নব্বই নস্ট্যালজিয়া’য় ফিরছে দেশ? জ্বালানি কাঠ-কয়লার চাহিদা তুঙ্গে

যুদ্ধ আবহে জ্বালানি সংকট। আর তারই জেরে অপ্রতুল রান্নার গ্যাস। যার জেরে সর্বত্র উঠেছে ‘গ‌্যাসের ব্যথা’। গ‌্যাসের অভাবে দোকান বন্ধ হওয়ার উপক্রম। এই পরিস্থিতিতে ফিরছে নস্ট্যালজিয়া। কলকাতা-সহ দেশের মেট্রো শহরগুলিতে বহু রেস্তরাঁই রান্নার জ্বালানি হিসেবে বেছে নিচ্ছে জ্বালানি কাঠ ও কয়লাকে। সেই আট-নয়ের দশকের চেনা ছবি দেখা যাচ্ছে আবার।

Advertisement

জানা যাচ্ছে, চেন্নাই, কলকাতা, বেঙ্গালুরু ও অন্যান্য শহরে জ্বালানি কাঠ ও কয়লা দিয়ে রান্না করতে হচ্ছে। পদের সংখ্যা কমিয়ে কোনওমতে পরিষেবা টিকিয়ে রাখছে অনেকে। আবার কোথাও কোথাও পরিস্থিতি একটাই প্রতিকূল যে, কোথাও কোথাও অধিকাংশ পদই বাদ রাখা হচ্ছে। বিশেষ করে যেগুলি রান্না করতে ব্যাপক পরিমাণে গ্যাস লাগে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উদাহরণ হিসেবে বলা যায় কর্নাটকের কথা। বেঙ্গালুরুর থিনডিজ নামের জনপ্রিয় এক ক্যাফে, যার অবস্থান শাসক কংগ্রেসের রাজ্য দপ্তরের ঠিক বিপরীতে, এখন সেখানে স্রেফ চা ও কফি পরিবেশিত হচ্ছে। অথচ আদে ইডলি, বড়া, ভাত, ধোসার মতো নানা পদই সেখানে মিলত। ক্যাফের মালিক জানাচ্ছেন, কালোবাজারিতে এমন দামে গ্যাস বিক্রি হচ্ছে যা তাঁদের হাতের বাইরে।

Advertisement

কলকাতার হোটেল-রেস্তরাঁতেও দুশ্চিন্তার কালো মেঘ। কলকাতার খাদ্য গলি ডেকার্স লেন থেকে পার্ক সার্কাসের বিখ‌্যাত বিরিয়ানির দোকান, শিয়ালদহ থেকে যাদবপুর, সর্বত্র দুশ্চিন্তার ঢেউ খেলছে। আবার গেরস্তর রান্নাঘরেও যেন আঁধার নামার জোগাড়। বুকিংয়ের পরেও গ্যাস না পৌঁছনোয় মাথায় হাত গৃহিণীর। এই অবস্থায় বাড়ছে কয়লা, জ্বালানি কাঠের ব্যবহার। বলা হয়, একসময় কলকাতার আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যেত ভোর হলেই। বাড়িতে বাড়িতে জ্বলত কাঠকয়লার উনুন। মৃণাল সেনের ‘চালচিত্র’ ছবিতে ধরা আছে সেই দৃশ্য। এবার মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহে সেই দৃশ্যই ফেরার জোগাড়। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে আপাতত সেই প্রতীক্ষাতেই রেস্তরাঁ মালিক থেকে সাধারণ গৃহস্থ সকলেই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন