Israel

ইজরায়েলী দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণ ট্রেলার মাত্র! সিঁদুরে মেঘ দেখছেন তদন্তকারীরা

ঘটনাস্থল থেকে মিলেছে একটি রহস্যময় চিঠি ও ক্যামেরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২১, ১১:০৮

options
link
ইজরায়েলী দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণ ট্রেলার মাত্র! সিঁদুরে মেঘ দেখছেন তদন্তকারীরা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজধানী দিল্লিতে ইজরায়েলী দূতাবাসের সামনে ঘটা বিস্ফোরণ ট্রেলার মাত্র। এই ঘটনা অনেক বড় মাপের কোনও ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত। এমনটাই মনে করছে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: দিল্লিতে ইজরায়েলের দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণ, ঘটনাস্থলে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার দল]

দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনস্থলে ফরেনসিক তদন্তের পর উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিস্ফোরণে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহার করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আইইডি-তে আরডিএক্স থাকলে বিস্ফোরণে আরও বেশি ক্ষতি হতে পারত। স্প্লিন্টার হিসেবে বোমাটিতে ছিল বল বিয়ারিং। এছাড়া, বিস্ফোরণস্থলের কয়েকহাত দূরেই একটি ক্যামেরা, আধপোড়া লাল রঙের স্কার্ফ ও একটি চিঠি উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা। চিঠিটি ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূতের উদ্দেশে লেখা হয়েছিলও বলে খবর।সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, জিন্দাল হাউসের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে ট্যাক্সিতে আসা দুই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। তাদের খোঁজে ট্যাক্সিচালককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এই বিস্ফোরণ আসলে বড় কোন নাশকতার ট্রেলার মাত্র বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে মুম্বইয়ের নরিমান হাউস-সহ সমস্ত ইহুদি অধ্যুষিত জায়গাগুলির নিরাপত্তা বাড়িয়ে তলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২৯ জানুয়ারি বিকেল ৫টা নাগাদ দিল্লিতে ইজরায়েলের (Israel) দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণ ঘটে। এই ঘটনায় কোনও প্রাণহানি ঘটেনি। গোটা বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মনে করা হচ্ছে এটা সন্ত্রাসবাদী হামলা। ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (NIA)। বিস্ফোরণের পর ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রন মালকা জানিয়েছেন দূতাবাসের সমস্ত কর্মীরা সুরক্ষিত আছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো নড়েচড়ে বসেছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি। এর আগে ২০১২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে ইজরায়েলের কূটনীতিকের গাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ইরানের (Iran) হাত থাকার অভিযোগ উঠেছিল। ফলে রীতিমতো কূটনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছিল তেল আভিভ, নয়াদিল্লি ও তেহরানের মধ্যে। বিস্ফোরণে ইরানের দিকে আঙুল উঠলেও সমস্ত অভিযোগ খারিজ করেছে তেহরান। 

[আরও পড়ুন: লকডাউনে বন্দি অর্থনীতির ফাঁস খুলে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ভারত, অর্থনৈতিক সমীক্ষায় দাবি সরকারের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.