Saayoni Ghosh

এবার বিদ্রোহী দলে নাম লেখাচ্ছেন অভিষেকের ‘সেনাপতি’ সায়নী! দিল্লি দরবারে তুঙ্গে জল্পনা

সোমবার সকালে দিল্লিতে বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন তৃণমূলের 'বিদ্রোহী' সাংসদরা। এরপরই স্পিকারকে চিঠি দেন তাঁরা। বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ-তে যোগ দিতে চেয়ে এই চিঠি দেন ২০ জন 'বিক্ষুব্ধ' সাংসদ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৯, ২০২৬, ১৫:৫২

options
link
এবার বিদ্রোহী দলে নাম লেখাচ্ছেন অভিষেকের ‘সেনাপতি’ সায়নী! দিল্লি দরবারে তুঙ্গে জল্পনা
এবার বিদ্রোহী দলে নাম লেখাচ্ছেন অভিষেকের 'সেনাপতি' সায়নী!

লোকসভায় ‘অপারেশন লোটাস’। পরিষদীয় দলের পর তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় দলেও ভাঙন। এনডিএ’র শরিক হতে চেয়ে সোমবারই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছেন ‘বিদ্রোহী’ সাংসদরা। এই পরিস্থিতিতে সুর বদল যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষেরও (Saayoni Ghosh)! সূত্রের খবর, ‘বিদ্রোহী ব্লকে’ নাম লেখাচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশ্বস্ত সেনাপতিও। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, সদ্য মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় যে দলীয় কমিটি ঘোষণা করেছিলেন তাতে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রীর পদ পেয়েছিলেন এই সায়নীই।

Advertisement

একদা ‘বামমনস্কা’ সায়নী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোর সমালোচক ছিলেন। পরে তাঁর হাত ধরেই রাজনীতির ময়দানে পা রাখেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর দলে তাঁর সাংগঠনিক দায়িত্ব বৃদ্ধি পায়। তারপর ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে জয়ী হন তিনি। এরপর ধীরে ধীরে মমতাকেই অনুসরণ করতে শুরু করেন সায়নী। পরনে সাদা শাড়ি, পায়ে হাওয়াই চটি – সায়নী যেন মমতারই ‘রেপ্লিকা’ হয়ে ওঠেন। একইসঙ্গে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরও ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তিনি। তবে সায়নীকে ঘিরে বিতর্কও কম হয়নি। সমাজমাধ্যমে তাঁর শেয়ার করা ‘শিবলিঙ্গে কন্ডোম’ পোস্ট আজও বঙ্গ রাজনীতিতে চর্চার বিষয়। যদিও সেই সময় দল তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু সেই তৃণমূল সাংসদ সায়নী এবার ‘বেসুরো’।  

Advertisement

বলে রাখা প্রয়োজন, সোমবার সকালে দিল্লিতে বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ সাংসদরা। এরপরই স্পিকারকে চিঠি দেন তাঁরা। বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ-তে যোগ দিতে চেয়ে এই চিঠি দেন ২০ জন ‘বিক্ষুব্ধ’ সাংসদ। বর্তমানে লোকসভায় তৃণমূলের সাংসদ সংখ্য়া ২৮। তার মধ্যে ২০ জনই ‘বিদ্রোহী’। অর্থাৎ এবার বিধানসভার পর লোকসভার রাশও ‘আসল তৃণমূলে’র হাতে।

Advertisement

এখানেই শেষ নয়, দিনের শেষে ফের একপ্রস্থ বৈঠক করেন ‘বিদ্রোহী’রা। বীরভূমের চারবারের সাংসদ শতাব্দী রায়ের দিল্লির বাসভবনে হয় এই বৈঠক। যেখানে উপস্থিত ছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর এই বৈঠকের পরই তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা। লোকসভার কায়দায় রাজ্যসভাতেও কি এবার ‘অপারেশন লোটাস’? তবে সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে ‘বিদ্রোহী’ সাংসদরা দাবি করেছেন, বৈঠকটি শুধুই সান্ধ্য আড্ডা তথা চা-চক্র।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.