India

মাত্র ৬০০০ টাকায় ভারতে ফিদায়েঁ হামলা! জইশের নীল নকশার নেপথ্যে ‘জেনানা জেহাদি’রা

ফিদায়েঁ হামলার মূল ষড়যন্ত্রকারী জইশের মহিলা শাখা জামাত-উল-মোমিনাত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৯, ২০২৫, ১৪:৪৬

options
link
মাত্র ৬০০০ টাকায় ভারতে ফিদায়েঁ হামলা! জইশের নীল নকশার নেপথ্যে ‘জেনানা জেহাদি’রা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লি বিস্ফোরণের মাঝেই এবার সামনে এল পাক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের ভয়ংকর ষড়যন্ত্র। গোয়েন্দা বিভাগের সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতে ফিদায়েঁ হামলা চালাতে তহবিল সংগ্রহ করতে শুরু করেছে মাসুদ আজাহারের সংগঠন। দিল্লি বিস্ফোরণের তদন্তে নেমে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, ‘SadaPay’ নামে এক পাকিস্তানী অ্যাপের মাধ্যমে প্রকাশ্যেই চলছে জইশ জঙ্গিদের এই তহবিল সংগ্রহ। এই হামলার মূল ষড়যন্ত্রকারী জইশের মহিলা শাখা জামাত-উল-মোমিনাত।

Advertisement

তদন্তকারীদের তরফে জানা গিয়েছে, এই অর্থ সংগ্রহের জন্য সোশাল মিডিয়ায় পোস্টার দেওয়া হয়েছে জইশের তরফে। যেখানে বলা হয়েছে, আত্মঘাতী হামলাকারী অর্থাৎ ‘মুজাহিদ’দের জন্য শীতের পোশাক দেবে তাঁদের ‘জেহাদি’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। একইভাবে কোনও জেহাদির মৃত্যুর পর কেউ তাঁর পরিবারের দেখভাল করলে তাঁকেও একজন জেহাদি হিসেবে গণ্য করা হবে। এই সন্ত্রাসবাদীদের সাহায্যের জন্য চাঁদার টাকাও নির্ধারিত করে দেউয়া হয়েছে জইশের তরফে। তার পরিমাণ ২০ হাজার পাকিস্তানী রুপি। অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ৬৪০০ টাকা। মনে করা হচ্ছে, এই টাকায় জেহাদ করতে যাওয়া ফিদায়েঁ জঙ্গিদের জন্য পোশাক, জুতো-সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনা হবে। ভারতের মাটিতে হামলা চালানোর জন্যই জইশের এই প্রস্তুতি বলে জানা যাচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তদন্তকারীদের তরফে জানা যাচ্ছে, এই তহবিল সংগ্রহ করছে জইশের মহিলা শাখা জামাত-উল-মোমিনাত। অপারেশন সিঁদুরে জোরাল ধাক্কা খাওয়ার পরই প্রকাশ্যে এসেছিল জইশের এই শাখা। সেই অভিযানে মৃত্যু হয় মাসুদ আজাহারের পরিবারের ১১ সদস্যের। এর ঠিক পরই ভারতের বিরুদ্ধে বদলা নিতে মাসুদ আজাহারের বোন সাদিয়ার নেতৃত্বে নয়া মহিলা ব্রিগেড তৈরির ঘোষণা করে জইশ। ভাওয়ালপুরের মার্কাজ-উসমান-ও-আলি থেকেই এই সংগঠন তৈরির কাজ শুরু হয়। জানা যায়, ভারতকে রক্তাক্ত করতে ‘জামাত-উল-মোমিনাত’ জম্মু ও কাশ্মীর, উত্তরপ্রদেশ এবং দক্ষিণ ভারতের কিছু অংশে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছে। অনলাইন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভারতে তাদের কার্যকলাপ বৃদ্ধির চেষ্টা করছে।

Advertisement

সেই রিপোর্ট কতখানি সত্য ছিল তা স্পষ্ট হয় দিল্লির লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের পর। এই হামলার তদন্তে নেমে পুলিশ গ্রেপ্তার করে চিকিৎসক শাহিন শাহিদকে যার সাংকেতিক নাম ছিল ‘ম্যাডাম সার্জন’। জানা যাচ্ছে, জইশ-ই-মহম্মদের মহিলা ব্রিগেড তৈরির দায়িত্বে ছিল সে-ই! ভারতে এই শাখার বিস্তারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল শাহিন শাহিদকেই। তার মাথায় ছিল মাসুদের বোন সাদিয়া। অনুমান করা হচ্ছে, আপাতত জম্মু ও কাশ্মীর, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানার মতো রাজ্যগুলিতে এই মহিলা ব্রিগেড নিজেদের জাল ছড়াতে শুরু করে। তবে সে জাল বেশিদূর ছড়ানোর আগেই গ্রেপ্তার হয় শাহিদকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন