কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল

পট পরিবর্তন কাশ্মীর উপত্যকায়, পৃথক দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে পথ চলা শুরু

জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের দায়িত্ব নিলেন দুই উপরাজ্যপাল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০১৯, ১২:১২

options
link
পট পরিবর্তন কাশ্মীর উপত্যকায়, পৃথক দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে পথ চলা শুরু

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খাতায়-কলমে ভাগাভাগিটা হয়ে গিয়েছিল আগেই। মাস দুয়েকের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবেই পৃথক হয়ে গেল জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ। পুরোপুরি রাজ্যের তকমা মুছে গেল ভূস্বর্গ থেকে। জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ, দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল। আজ থেকে জম্মু-কাশ্মীরের উপরাজ্যপাল হলেন গিরীশচন্দ্র মুর্মু এবং লাদাখের উপরাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিলেন রাধাকৃষ্ণ মাথুর। 
ভূস্বর্গে এই নব অধ্যায়ের সূচনালগ্নে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঐতিহাসিক বলে চিহ্নিত করে বললেন, উপত্যকায় উন্নয়নের যুগ শুরু হল। জঙ্গি হামলা, রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ কমবে। স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাবেন সাধারণ মানুষজন। এদিন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মদিনে, গুজরাটের কেভাডিয়ার অনুষ্ঠানের প্রায় গোটাটাই মোদি উৎসর্গ করলেন নতুন দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে। বললেন, ‘জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত সারা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে। এতদিন শুধুই সন্ত্রাসদীর্ণ থেকেছে উপত্যকা। এবার থেকে শুধুই উন্নয়ন হবে এখানে। রাস্তাঘাট, কর্মসংস্থান হবে।’

Advertisement

[ আরও পড়ুন: এক বছর চাকরি করলেও মিলবে গ্র্যাচুইটি! নয়া নিয়ম আনছে কেন্দ্র]

গত ৫ আগস্ট। বিশেষ মর্যাদার জন্য জম্মু-কাশ্মীরে লাগু থাকা ৩৭০ ধারা রদ করে কেন্দ্র। সংসদে দীর্ঘ ভোটাভুটির পর এই ধারার সঙ্গে ৩৫এ ধারাটি বিলোপ করা হয়। রাজ্যের বিশেষ মর্যাদা তুলে দেওয়ার পাশাপাশি দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করে দেওয়া হয়। কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে সকলেই স্বাগত জানিয়েছিলেন। বিরোধিতা থাকলেও, তা অতি নগণ্য। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে যে আখেরে ভুস্বর্গের ভাল হবে, তেমনটাই মনে করেন বেশিরভাগ মানুষজন। তাই রাজনৈতিক বিরোধ ভুলে অনেকেই কাশ্মীরের হিতার্থে কেন্দ্রের পাশেই দাঁড়িয়েছিল। ওইদিনই ঘোষণা করা হয়, সমস্ত আনুষ্ঠানিক রদবদলের জন্য কিছুটা সময় দরকার। ৩১ অক্টোবর থেকে পুরোপুরি বিভক্ত হয়ে যাবে জম্মু-কাশ্মীর।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: কাশ্মীরে আসার জন্য ইউরোপের সাংসদদের আমন্ত্রণ জানান, কে এই মাদি শর্মা?]

সেইমত আজ আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্যপালরা দায়িত্ব নিলেন। জম্মু-কাশ্মীর হাই কোর্টে শপথ নিলেন রাজ্যপাল গিরীশচন্দ্র মুর্মু। অন্যদিকে, লে-তে শপথ নিয়েছেন লাদাখের রাজ্যপাল রাধাকৃষ্ণ মাথুর। এই পরিবর্তন উপলক্ষে উপত্যকাজুড়ে ছিল নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা। জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যের মর্যাদা হারানোয় ভারতে রাজ্যের সংখ্যা কমে দাঁড়াল ২৮, দুটি নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল যোগ হওয়ায় সেই সংখ্যা হল ৯।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.