পাক হামলা ঠেকাতে সংঘের সহায়তা চেয়েছিলেন নেহরু, উমার দাবিতে বিতর্ক

সংঘের তৎকালীন প্রধান গোলওয়ালকরকে চিঠি লিখেছিলেন নেহরু।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৮, ১০:০৯

options
link
পাক হামলা ঠেকাতে সংঘের সহায়তা চেয়েছিলেন নেহরু, উমার দাবিতে বিতর্ক
ছবি প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশ স্বাধীন হওয়ার পরেই জম্মু ও কাশ্মীর আক্রমণ করেছিল পাকিস্তান। সে সময় দেশ রক্ষার জন্য রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সাহায্য চেয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। নেহরুর ডাকে সাড়া দিয়েই কাশ্মীরে গিয়েছিলেন সংঘের স্বেচ্ছাসেবকরা। বুধবার এই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় জলসম্পদমন্ত্রী উমা ভারতী। উমার এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই জলঘোলা হতে শুরু হয়েছে।

Advertisement

[সাহস থাকে তো সীমান্তে দাঁড়িয়ে লড়াই করুন ভাগবত, আক্রমণাত্মক ওয়েসি]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রসঙ্গত, রবিবার বিহারে এক জনসভায় সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত বলেছিলেন, “সামরিক সংস্থা না হয়েও সংঘ তিনদিনে ফৌজ তৈরি করতে পারে। একই কাজ করতে সেনাবাহিনীর ছয় থেকে সাত মাসে লেগে যায়। দেশের জরুরি প্রয়োজনে এবং সংবিধানের সম্মতি মিললে সংঘ সীমান্তে গিয়ে লড়াই করতে প্রস্তুত আছে।” ভাগবতের মন্তব্যের রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের এক বিতর্কের সূচনা করলেন উমা। ভোপালে এক অনুষ্ঠানে উমা বলেন, “স্বাধীনতা প্রাপ্তির পর কাশ্মীরের তৎকালীন শাসক মহারাজা হরি সিং জম্মু ও কাশ্মীরের ভারতভুক্তির চুক্তিতে সই করতে নারাজ ছিলেন। সই করার জন্য হরি সিংকে চাপ দিচ্ছিলেন শেখ আবদুল্লা। নেহরুও দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন। এ সময় হঠাৎই হামলা করে পাকিস্তান। সীমান্ত পেরিয়ে পাক সেনা উধমপুর পর্যন্ত চলে আসে। এই হামলা ছিল একেবারেই অপ্রত্যাশিত। সে সময় সেনার হাতেও আজকের মতো অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ছিল না। ফলে পাক আক্রমণ ঠেকানো ছিল এক কঠিন কাজ। সে কারণেই প্রধানমন্ত্রী নেহরু সংঘের তৎকালীন প্রধান গোলওয়ালকরকে চিঠি লিখে তাঁর সাহায্য চেয়েছিলেন। নেহরুর অনুরোধে আরএসএস স্বেচ্ছাসেবকরা সাহায্য করতে ছুটে গিয়েছিলেন জম্মু ও কাশ্মীরে।”

Advertisement

তবে উমা এদিন বিহারে করা ভাগবতের মন্তব্য সম্পর্কে সরাসরি কিছু বলতে অস্বীকার করেন। জেএনইউয়ের এক অনুষ্ঠানে ভারত-বিরোধী স্লোগান দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই প্রসঙ্গ উত্থাপন করে উমা বলেন, “সেনাকে পাথর ছুড়ে মারা হচ্ছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকী, সেনার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগও করা হচ্ছে। এফআইআর দায়ের হচ্ছে সেনার বিরুদ্ধে।”

[সমুদ্র সৈকতে ১০৮টি বালির শিবলিঙ্গ, ফের বিশ্বরেকর্ড গড়ার পথে সুদর্শন]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.