Andaman and Nicobar

‘দাসত্ব মুছুন’, নেতাজির জন্মবার্ষিকীতে আন্দামান নিয়ে মোদিকে চিঠি প্রাক্তন সাংসদের

নেতাজির জন্মদিবসকে স্মরণীয় করতে আন্দামান এবং নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে মোদিকে বিশেষ আবেদন নেত্রীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১৬:৩৬

options
link
‘দাসত্ব মুছুন’, নেতাজির জন্মবার্ষিকীতে আন্দামান নিয়ে মোদিকে চিঠি প্রাক্তন সাংসদের
ফাইল ছবি।

নেতাজির জন্মদিবসকে স্মরণীয় করতে আন্দামান এবং নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের নতুন নামকরণ হোক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে এই আবেদন জানালেন কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের কন্যা কে কবিতা। প্রাক্তন সাংসদের আবেদন, আন্দামান এবং নিকোবর নামের সঙ্গে এখনও ঔপনিবেশিকতা জড়িয়ে রয়েছে। সেই দাসত্বের ইতিহাস মুছে ফেলে আন্দামান এবং নিকোবরের পরিবর্তে দ্বীপপুঞ্জের নাম রাখা হোক ‘আজাদ হিন্দ’।

Advertisement

বিআরএস থেকে বহিষ্কৃত নেত্রী কবিতা বর্তমানে তেলেঙ্গানা জাগৃতি নামে একটি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখার লক্ষ্যে এই সংগঠনটি কাজ করে। সেই সংগঠনের প্রেসিডেন্ট পদে রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ কবিতা। নেতাজির জন্মদিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরকে তিনি চিঠি লিখেছেন। তাঁর কথায়, সম্প্রতি ২০১৮ সালে রস, নিল এবং হ্যাভলক দ্বীপের নতুন করে নামকরণ করা হয়েছে। কিন্তু দ্বীপপুঞ্জের নাম এখনও বদলায়নি। এখনও ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার ছাপ রয়েছে সেই নামে। সেই দাসত্বের ইতিহাস মুছে ফেলতে সাংবিধানিক পদ্ধতিতে কাজ শুরু করা উচিত মোদির দপ্তরের, আর্জি কবিতার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দিনকয়েক আগেই লিটল আন্দামান দ্বীপের নাম বদলে ‘হরি গুরুচাঁদ দ্বীপ’ রাখার আর্জি জানিয়েছিলেন মতুয়ারা। সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের নেতৃত্বে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মতুয়াদের প্রতিনিধি দল। তাঁদের দাবি, লিটল আন্দামান দ্বীপের ৯৫ শতাংশ মানুষ মতুয়া। হরিচাঁদ, গুরুচাঁদের শিক্ষা, আদর্শ ওই এলাকায় যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে। সাম্যবাদের ভাবধারা এনেছে। তাই সেই অবদানের স্বীকৃতিতে লিটল আন্দামানের নাম পরিবর্তন করে ‘হরি গুরুচাঁদ দ্বীপ’ রাখা হোক।

Advertisement

উল্লেখ্য, আন্দামান ও নিকোবরের নাম বদলে স্বরাজ এবং শহিদ দ্বীপ রাখা হোক, বহুদিন আগেই এই আবেদন জানিয়েছিলেন নেতাজির দৌহিত্র চন্দ্র বসু। তিনি যখন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপির সহ-সভাপতি ছিলেন, তখনই মোদিকে চিঠি লিখে তিনি বলেন, নেতাজিই আজাদ হিন্দ সরকার প্রতিষ্ঠার পর আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের নাম বদলে শহিদ ও স্বরাজ দ্বীপ রেখেছিলেন। যদিও, পরে তা স্বীকৃতি পায়নি। চন্দ্র বসুর আবেদনেও দ্বীপপুঞ্জের নাম পালটায়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন