Uttar Pradesh

কাকোরি বিপ্লবীদের মূর্তি ভেঙে ডাম্পিং গ্রাউন্ডে! শহিদদের অপমানে বিতর্কে যোগীর প্রশাসন

যোগী আদিত্যনাথের উত্তরপ্রদেশে এবার স্বাধীনতা সংগ্রামে শহিদদের চরম অসম্মান! তাঁদের মূর্তি ভেঙে ফেলা হল ডাম্পিং গ্রাউন্ডে। যা নিয়ে ব্যাপক শোরগোল আর বিতর্ক শুরু হয়েছে বিজেপি শাসিত রাজ্যে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৫, ২০২৬, ১৬:০৬

options
link
কাকোরি বিপ্লবীদের মূর্তি ভেঙে ডাম্পিং গ্রাউন্ডে! শহিদদের অপমানে বিতর্কে যোগীর প্রশাসন
ডাম্পিং গ্রাউন্ডে পড়ে কাকোরি বিপ্লবীদের ভেঙে ফেলা মূর্তি।

যোগী আদিত্যনাথের উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh) এবার স্বাধীনতা সংগ্রামে শহিদদের চরম অসম্মান! তাঁদের মূর্তি ভেঙে ফেলা হল ডাম্পিং গ্রাউন্ডে। যা নিয়ে ব্যাপক শোরগোল আর বিতর্ক শুরু হয়েছে বিজেপি শাসিত রাজ্যে। শহিদদের অপমানে ক্ষোভে ফুঁসছেন মানুষ। ঘটনাস্থল উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুর। কাকোরি স্মৃতিস্তম্ভের শহিদদের মূর্তি স্থানান্তরের সময় সেগুলিকে বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলার ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। শাহজাহানপুরের মিউনিসিপ্যাল কমিশনার ড. বিপিন মিশ্র স্বীকার করেছেন যে, মূর্তি সরানোর পদ্ধতিতে গাফিলতি ছিল। মূর্তির ভাঙা অংশ ডাম্পিং গ্রাউন্ডে ফেলে রাখার ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এর তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

Advertisement

সংবাদ সংস্থার খবর, গত ২৩ মার্চ রাতে শাহজাহানপুর মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন যানজট কমানোর জন্য শহিদদের মূর্তিগুলি বর্তমান স্থান থেকে সরিয়ে প্রায় ১৫-২০ ফুট পিছনে পুনঃস্থাপনের কাজ শুরু করে। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় আধুনিক সরঞ্জামের বদলে বুলডোজার ব্যবহার করে কাকোরি ট্রেন ডাকাতি মামলায় যুক্ত আশফাকউল্লা খাঁ, পণ্ডিত রামপ্রসাদ বিসমিল এবং ঠাকুর রোশন সিংয়ের মতো বিপ্লবীদের মূর্তিগুলি ভেঙে ফেলা হয়। ঘটনা সামনে আসতেই তীব্র জনরোষ ছড়িয়ে পড়ে।

Advertisement

বুলডোজার ব্যবহার করে কাকোরি ট্রেন ডাকাতি মামলায় যুক্ত আশফাকউল্লা খাঁ, পণ্ডিত রামপ্রসাদ বিসমিল এবং ঠাকুর রোশন সিংয়ের মতো বিপ্লবীদের মূর্তিগুলি ভেঙে ফেলা হয়।

স্থানীয় মানুষের দাবি, এই ঘটনা আসলে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের চরম অবমাননা। ইতিমধ্যেই কাজের বরাত পাওয়া ওই সংস্থাকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে। আর্থিক জরিমানাও করা হচ্ছে বলে খবর। জেলাশাসক ধর্মেন্দ্র প্রতাপ সিং জানিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে যে কোনও মূর্তি সরানোর আগে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানানো এবং পুরো সম্মানের সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রশাসন আশ্বাস দিয়েছে যে, ভেঙে যাওয়া মূর্তিগুলি সংস্কার করে দ্রুত সসম্মানে নতুন স্ট্যান্ডে পুনঃস্থাপন করা হবে।

Advertisement

ঘটনার পরেই সরব হয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। শহিদদের অপমান নিয়ে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব বলেন, “সৌন্দর্যায়ন কখনই শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধার চেয়ে অগ্রাধিকার পেতে পারে না। এটি একটি উদ্বেগজনক মানসিকতার প্রতিফলন।’ উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অজয় রাই দোষীদের কড়া শাস্তি চেয়ে বলেন, “যদি ন্যায়বিচার না হয়, তাহলে কংগ্রেসের প্রত্যেক কর্মী রাস্তায় নেমে এই স্বৈরাচারের তীব্র বিরোধিতা করবে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.