সম্প্রীতির নজির, ৪০০ জন মুসলিমকে দাওয়াত-এ-ইফতার দিল এই মন্দির

এ দেশ তোমার আমার...

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০১৭, ০৮:৫৭

options
link
সম্প্রীতির নজির, ৪০০ জন মুসলিমকে দাওয়াত-এ-ইফতার দিল এই মন্দির

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অভিনব সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে মুসলিমদের জন্য ইফতারের আয়োজন করল কেরলের এক মন্দির। কেরলের মলপ্পুরমের লক্ষ্মী নরসিমহা মুর্তি বিষ্ণু মন্দির কর্তৃপক্ষ এই অভিনব ইফতারের আয়োজন করে। প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে মন্দিরের ‘পুনঃপ্রতিষ্ঠা’র (সংস্কার) কাজ শুরু হয়েছে। চলবে ৪ জুলাই পর্যন্ত। এই ধর্মীয় আচারের একটি অঙ্গ হিসাবে মুসলিমদের জন্য ইফতারের আয়োজন করে সম্প্রীতির এক অনন্য বার্তা দিল কেরলের এই মন্দির। জানা গিয়েছে, প্রায় ৪০০ জন ইসলাম ধর্মাবলম্বীর পাশাপাশি ১০০ জন ভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ এই ইফতারে অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্যযোগ্য বিষয়, মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল হিসাবে পরিচিত ভেট্টিচিরায় অবস্থিত এই মন্দিরের সংস্কারের জন্য প্রায় ৩০০ মুসলিম পরিবার মুক্তহস্তে দান করেছে।

Advertisement

[পাকিস্তানকে শিক্ষা দিতে পরমাণু বোমা ফেলার ডাক বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নেতার]

মন্দির কমিটির সম্পাদক পি টি মোহনন জানিয়েছেন, ‘ধর্মীয় সম্প্রীতির আবহে বড় হয়েছি আমরা। মানবিকতাই আমাদের মূলমন্ত্র, ধর্ম নয়। প্রত্যেকেরই নিজের ধর্ম অনুসরণ করার অধিকার আছে, কিন্তু তার মানে এই নয় যে অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি আমরা সহানুভূতিশীল হব না। অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি সৌহাদ্রতা কেন দেখাব না?’ তবে এত মানুষকে একসঙ্গে ইফতারি করানোর মতো জায়গা ছিল না মন্দিরের। তাই জনৈকি মাম্মু মাস্টারের বাড়িতেই সবাইকে ইফতারি দেওয়া হয়। সাধ্য-সহ একাধিক মালয়ালি নিরামিষ খাবার ছিল সেই ইফতারিতে। মোহনন আরও জানিয়েছেন, এই ইফতারে অংশগ্রহণ করার জন্য কারও মনে সংশয় ছিল না। প্রত্যেক পরিবারকে আগে থেকেই নিমন্ত্রণ জানানো হয়। কিন্তু ধারণার চেয়ে বেশি মানুষ এই অভিনব ইফতারে অংশগ্রহণ করেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[সুষমার সাহায্যে আপ্লুত, টুইটারে ‘জয় হিন্দ’ লিখলেন পাক যুবক]

Advertisement

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.