অমরনাথ যাত্রীদের হামলার নেপথ্যে ৪ লস্কর জঙ্গি, তদন্তের জাল গোটাচ্ছে পুলিশ

এখনও পর্যন্ত ধৃত তিন, জঙ্গিদের খোঁজে জারি চিরুনি তল্লাশি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০১৭, ১৩:১৩

options
link
অমরনাথ যাত্রীদের হামলার নেপথ্যে ৪ লস্কর জঙ্গি, তদন্তের জাল গোটাচ্ছে পুলিশ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অমরনাথ যাত্রীদের উপর হামলার প্রায় এক মাস অতিক্রান্ত। ওই ঘটনার তদন্তের জাল গুটিয়ে ফেলা হয়েছে বলে দাবি করল জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। তদন্তকারীদের বক্তব্য চার লস্কর জঙ্গি অমরনাথ যাত্রীদের নিশানা করেছিল।

Advertisement

রবিবার কাশ্মীরের আইজিপি মুনির খান শ্রীনগরে সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ‘পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন লস্করের সদস্য ইসমাইল ও তার দুই সঙ্গী মিলে হামলা চালায় অমরনাথ যাত্রীদের উপর। তিন পাক জঙ্গিদের সাহায্য করেছিল কাশ্মীরের স্থানীয় এক জঙ্গিও।’ অভিযুক্ত জঙ্গিদের খোঁজে চিরুনি তল্লাশি চালানো হচ্ছে, দ্রুত অভিযুক্ত জঙ্গিরা ধরা পড়বে। সম্প্রতি উপত্যকায় যে দুই লস্কর জঙ্গিকে নিকেশ করেছে সেনা, তারাও এই হামলায় অভিযুক্ত কি না, জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

চার জঙ্গির দলের আর এক সদস্যের পরিচয় জানতে পেরেছে পুলিশ। ওই জঙ্গির নাম ইয়াওয়ার বলে জানা গিয়েছে। কাশ্মীর থেকে গরিব, অভাবী যুবকদের টাকার লোভ দেখিয়ে লস্করের দলে নাম লেখাতে সাহায্য করত সে। অন্য আর দুই জঙ্গির পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। মনে করা হচ্ছে তারা পাকিস্তানের বাসিন্দা। জঙ্গিরা বেশ কিছু ‘কোড’ ব্যবহার করত নিজেদের মধ্যে। যাত্রীদের বাসের ‘কোড নেম’ ছিল ‘শওকত’, সিআরপিএফের গাড়িকে ডাকা হত ‘বিলাল’ নামে, জানিয়েছে পুলিশ।

আবু ইসমাইল ও ইয়াওয়ারের ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে পুলিশের তরফে। প্রাথমিকভাবে ৯ জুলাই হামলার পরিকল্পনা থাকলেও সেদিন পহলগামে কোনও যাত্রীবাহী বাস বা সিআরপিএফের গাড়ি যায়নি। তাই পরেরদিন হামলা চালায় জঙ্গিরা। জঙ্গিদের সাহায্য করেছিল স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা। জঙ্গিদের প্রতি সহানুভূতিশীল তিন কাশ্মীরি স্থানীয় এলাকার তথ্য তুলে দেয় জঙ্গিদের হাতে। তিন অভিযুক্তকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে আপাতত ধৃতরা পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। তাদের জেরা করে প্রচুর তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে এদিন জানিয়েছেন মুনির খান। পুণ্যার্থী নয়, পুলিশ ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষীদের টার্গেট করেই হামলার প্রাথমিক ছক ছিল জঙ্গিদের।

তিন চক্রী বিলাল আহমেদ, আইজাজ ওয়াগে ও জাহুর আহমেদই ছক কষে কোনও জনবহুল এলাকায় হামলা চালানোর। ওই তিন অভিযুক্তই হামলাকারী চার জঙ্গিকে দক্ষিণ কাশ্মীরের খুদওয়ানিতে আশ্রয় দেয়। বিলালের দাদা আদিলও একজন কুখ্যাত লস্কর জঙ্গি, যাকে গত বছর নিরাপত্তারক্ষীরা গুলি করে নিকেশ করে। পুণ্যার্থীদের উপর হামলার ঘটনার তদন্তের জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ ‘সিট’ গঠন করে। দক্ষিণ কাশ্মীরের ডেপুটি ইনস্পেক্টর জেনারেল শ্যামপ্রকাশ পানি ওই বিশেষ তদন্তকারী দলের নেতৃত্ব দেন। গত ১০ জুলাই লস্কর জঙ্গিদের দলটি অমরনাথ যাত্রীবোঝাই বাসে হামলা চালিয়ে অন্তত ৮ জনকে হত্যা করে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন