বিদ্যুৎ বাঁচাতে রেলের পরিকল্পনায় আরও লেট হবে ট্রেন, আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

খরচে রাশ টানতে একাধিক পদক্ষেপ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯, ১২:২৭

options
link
বিদ্যুৎ বাঁচাতে রেলের পরিকল্পনায় আরও লেট হবে ট্রেন, আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

সুব্রত বিশ্বাস: বিদু্ৎ বাঁচাতে রেল একাধিক পদক্ষেপে জোর দিয়েছে। শক্তির সাশ্রয়ের জন্য বেশ কিছু জায়গায় ট্রেন ধীরে চলবে। যার ফলে বিলম্বিত লয়ের ট্রেন যে আরও দেরিতে চলবে এ সম্পর্কে নিশ্চিত রেল কর্তাদের একাংশ। রেলের এই পদক্ষেপে নিত্যযাত্রীদের আরও ভোগান্তি অপেক্ষা করছে।

Advertisement

[পঞ্চায়েতকে ‘স্মার্ট’ করতে প্রধানদের দেওয়া হল অ্যান্ড্রয়েড ফোন]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পন্থার মধ্যে ‘ড্রাইভিং টেকনিক’-এ চালকদের একাধিক আইন মানতে হবে। ‘কোস্টিং’ সিস্টেমে ওভারহেড তারে একটি নিউট্রাল-সেকশন রাখা হয়। যেখানে ওভারহেড তারে বিদ্যুৎ থাকে না। প্যান্টোগ্রাফ নামিয়ে গাড়ির গতিতেই ওই জায়গা অতিক্রম করা হয়। এতে বিদ্যুৎ বাঁচে। ব্যান্ডেল শাখায় বৈদ্যবাটি-ভদ্রেশ্বরের মাঝে এমন কোস্টিং রয়েছে। যে এলাকায় ঢুকলেই নিভে যায় ট্রেনের আলো। এই অঞ্চল দিয়ে দৈনিক কয়েকশো ট্রেন যায়। ফলে কিলোওয়াট আওয়ার অনুযায়ী একটা বড় অঙ্কের এনার্জি সাশ্রয় করতে পারছে রেল। ইঞ্জিনের গতি হঠাৎ বাড়লে বা কমলে বিদ্যুতের খরচ বেশি হয়। ছ’টি ‘নচ’-এ গতি কমে-বাড়ে। এক্ষেত্রে ১ নচ থেকে হঠাৎ ৩ বা ৪ নচে গতি বদলালে বিদ্যুতের খরচ বাড়ে। ওই বিশেষ এলাকায় ধীর নিয়ন্ত্রণে চালকদের গাড়ি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই পদ্ধতিতে ট্রেন কোনও কারণে দেরি করলে তার গতি নচ ত্বরান্বিত করে আর বাড়ানো সম্ভব হবে না। ফলে তা ধীরেই চলবে। এই গতি বাড়ানোর পদ্ধতিগত বাধায় আখেরে নিত্যযাত্রীদেরই ভুগতে হবে বলে চালকদের একাংশের মত। তাদের বক্তব্য, কন্ট্রোলের থেকে গাড়ি নিয়ন্ত্রিত করা হয়। ইঞ্জিনে থাকে ব্ল্যাকবক্স। ফলে ত্বরণ বা মন্দন সহজেই ধরা পড়বে সেখান থেকে। এজন্য পদ্ধতিগত নিয়ম লঙ্ঘন করে আর ঝুঁকি নেবেন না চালকরা।

Advertisement

[বিয়েবাড়িতে বসেই তৃণমূল পুরপ্রধানকে খুনের ছক রাজু-রতনের]

ট্রেনের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য স্টেশন এবং রেল আবাসনগুলির উপর নজরদারি বাড়াচ্ছে রেল। স্টেশনে যাতে দিনের বেলায় আলো না জ্বলে তার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বহিরাগত যেমন হকার বা বেআইনি দোকানে রেলের বিদ্যুৎ সংযোগ দেখলেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। রেলের সুপারভাইজারদের আবাসনগুলিতে মিটার বক্স ছিল না। ফলে বিদ্যুতের কোনও হিসাবই ছিল না। এবার সেখানে বসবে মিটার। বিদ্যুৎ বাঁচাতে এলইডি ও এলসিডি লাইট লাগানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। রেলের এই পদক্ষেপ সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে নিজরবিহীন হলেও গতির ক্ষেত্রে আশাপ্রদ নয় বলে মনে করছেন রেল কর্তাদের একাংশ। তাদের কথায়, ট্রেন অনিয়মিত হলে লেটের তালিকা যে দীর্ঘায়ত হবে তা নিশ্চিত। ফলে যাত্রীদের ট্রেন লেট যে অভিযোগ ছিল তার তালিকা আরও দীর্ঘ হবে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.