Sonam Wangchuk

অনশন ভাঙানোর কোনও সদিচ্ছাই দেখাননি রাহুল! ‘নেতাদের উপর আস্থা হারিয়েছি’, ক্ষুব্ধ সোনম

নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে ও শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কারের দাবিতে যন্তর মন্তরে ২৬ দিন ধরে অনশন করেছিলেন সোনম ওয়াংচুক। সেই সময় সোনমের স্ত্রী গীতাঞ্জলী চেয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে তাঁর অনশন ভঙ্গ হোক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৭, ২০২৬, ১৯:৪২

options
link
অনশন ভাঙানোর কোনও সদিচ্ছাই দেখাননি রাহুল! ‘নেতাদের উপর আস্থা হারিয়েছি’, ক্ষুব্ধ সোনম
রাহুল গান্ধী ও সোনম ওয়াংচুক। ফাইল ছবি

অনশন চলাকালীন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু তাঁর তরফে কোনও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে যন্তর মন্তরের পুরনো ঘটনা তুলে ধরে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন পরিবেশকর্মী তথা শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক (Sonam Wangchuk)। শুধু তাই নয়, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে মধ্যরাতের বৈঠকের ছবি আগেভাগে ফাঁস হওয়ার ঘটনাতেও বিরক্ত সোনম বললেন, ‘সব রাজনৈতিক নেতার উপরেই আস্থা হারিয়েছি।’

Advertisement

নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে ও শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কারের দাবিতে যন্তর মন্তরে ২৬ দিন ধরে অনশন করেছিলেন সোনম ওয়াংচুক। সেই সময় সোনমের স্ত্রী গীতাঞ্জলী চেয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে তাঁর অনশন ভঙ্গ হোক। সোনম বলেন, গীতাঞ্জলী রাহুলের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য যথেষ্ট করেন। কিন্তু কোনও ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়নি। গীতাঞ্জলী কখনও রাহুলের বিরুদ্ধে ছিলেন না। তিনি শুধু চেয়েছিলেন রাহুল এসে অনশন ভাঙাক। কিন্তু যন্তর মন্তরের মঞ্চে আসেননি লোকসভার বিরোধী দলনেতা।

Advertisement

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে মধ্যরাতের বৈঠকের ছবি আগেভাগে ফাঁস হওয়ার ঘটনাতেও বিরক্ত সোনম বললেন, ‘সব রাজনৈতিক নেতার উপরেই আস্থা হারিয়েছি।’

অনশন শেষের প্রক্রিয়া নিয়েও ক্ষোভ উগরে দেন সোনম। বলেন, তিনি চেয়েছিলেন শাসক-বিরোধী দুই শিবিরের পাশাপাশি অনশন ভাঙার মুহূর্তে ছাত্রদের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকুন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিং মধ্যরাতে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এলে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়। বলা হয়, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে তাঁর ছবি একসঙ্গে প্রকাশ করা হবে এবং তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে অনশন শেষ করার ঘোষণা করার পরেই সেই ছবি প্রকাশ করা হবে। তবে সে কথা রাখা হয়নি, একের পর এক ঘটনায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ হন সোনম। বলেন, ‘যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল তা রাখা হয়নি।’ অত্যন্ত খারাপ সেই অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শিক্ষাবিদ বলেন, ‘আমি সব নেতার উপরেই আস্থা হারিয়েছি।’

Advertisement

পাশাপাশি মাঝরাতে সোনমের সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সাক্ষাতে গোপন সমঝোতা হয়েছিল বলে নানা অভিযোগ ওঠে। তবে সে অভিযোগ খারিজ করে সনম বলেন, ‘যদি রাজনৈতিক সমঝোতাই উদ্দেশ্য হত তাহলে ২৬ দিন ধরে অনশন করার কোনও প্রয়োজন ছিল না। চাইলে অনেক বড় রাজনৈতিক সুবিধার জন্য দর কষাকষি করতে পারতাম আমি, কিন্তু আন্দোলনের উদ্দেশ্য ব্যক্তিগত সুবিধা আদায় ছিল না। এবং এই আন্দোলন পুরোপুরি শান্তিপূর্ণ ছিল।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.