Madhya Pradesh

‘আদিবাসীরা হিন্দু নন’, কংগ্রেস নেতার মন্তব্যে বিতর্ক, তোপ বিজেপির

এর আগে এই কংগ্রেস নেতাই হনুমানকে আদিবাসী বলে দাবি করেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৫, ১৪:২৩

options
link
‘আদিবাসীরা হিন্দু নন’, কংগ্রেস নেতার মন্তব্যে বিতর্ক, তোপ বিজেপির
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রথমে বলেছিলেন হনুমান ছিলেন আদিবাসী। এবার বললেন, ‘আদিবাসীরা হিন্দু নন।’ মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস নেতা এবং প্রাক্তন বনমন্ত্রী উমং সিংহারের এই মন্তব্যে বিতর্ক। কংগ্রেস নেতাকে কড়া সুরে আক্রমণ বিজেপির। 

Advertisement

ছিন্দওয়াড়ার আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের সভা এবং জাতীয় করমদার পুজোর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কংগ্রেস নেতা সরাসরি আক্রমণ করেছেন শাসক দলকে। সিংহারের দাবি, আদিবাসী সম্প্রদায়ের উপর হিন্দু পরিচয় চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বিজেপি এবং আরএসএস। সিংহার বলেন, “আমি বহুবার বলেছি যে আদিবাসীরা হিন্দু নয়। এটা আমার বিশ্বাস এবং আদিবাসী সমাজের অনুভূতি। আমাদের নিজস্ব রীতিনীতি, সংস্কৃতি এবং জীবনযাত্রা আছে। আমরা যদি ফসল, গাছ এবং প্রকৃতির পূজা করি, তাহলে বিজেপির কেন সমস্যা হবে?” তিনি দাবি করেন, ইতিহাস আদিবাসীদের দেশের আদি বাসিন্দা হিসেবে দেখায়। তাঁর অভিযোগ, আরএসএস আদিবাসীদের তাদের ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি থেকে দূরে সরানোর চেষ্টা করছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিজের বক্তব্যের স্বপক্ষে যুক্তি সাজিয়ে সিংহারের দাবি, তাঁর বক্তব্য কোনও নির্দিষ্ট ধর্মের উপর আক্রমণ নয়। তিনি বলেন, “আমরা কাউকে অসম্মান করি না। আমি হিন্দু ধর্মে বিশ্বাস করি। কিন্তু বিজেপি তাদের এজেন্ডা চালাতে চায়। আজ পর্যন্ত, আরএসএস-এ কোনও উপজাতি বংশোদ্ভূত মানুষ সংঘ প্রধান হননি।”

Advertisement

বিজেপির তরফ থেকে এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় উপজাতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী দুর্গাদাস উইকে বলেন, “সিংহারের মন্তব্য সামাজিক সম্প্রীতি এবং ঐক্যের জন্য ক্ষতিকর”। তিনি সিংহারের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। উইকে বলেন, “এই বিবৃতির মাধ্যমে সমাজকে বিভক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর উচিত উপজাতি সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমা চাওয়া।”

প্রসঙ্গত, ভারতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আদিবাসী জনসংখ্যা রয়েছে মধ্যপ্রদেশে। এখানে উপজাতিরা রাজ্যের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২১ শতাংশ। রাজ্যের ২৩০টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ৪৭টি তফসিলি উপজাতির জন্য সংরক্ষিত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন