সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে গোষ্ঠীকোন্দল এবং জোটের কাঁটা তুলতে মরিয়া বিজেপি। ভোটের ঠিক আগে আগে সেরাজ্যের প্রভাবশালী ৪০ নেতাকে বহিষ্কার করল গেরুয়া শিবির। এর মধ্যে এমন একাধিক নাম রয়েছে, যারা রাজ্য রাজনীতিতে বেশ পরিচিত মুখ।
বুধবার বিজেপির সম্পাদক (দপ্তর) মুকুল কুলকর্ণী এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ৩৭টি বিধানসভা কেন্দ্রের মোট ৪০ জন নেতানেত্রীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়েছে। বহিষ্কৃতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী রাজ্য নেতা রয়েছেন। যদিও এরা প্রত্যেকেই কোনও না কোনওভাবে বিদ্রোহী। এদের মধ্যে কেউ দলের টিকিট না পেয়ে দলেরই প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোটে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন। কেউ কেউ আবার জোট শরিক শিন্ডে সেনা এবং এনসিপির অজিত শিবিরের বিরুদ্ধে ভোটে দাঁড়িয়েছেন। অনেকে সরাসরি নির্বাচনে না নামলেও প্রকাশ্যে এনডিএ জোটের শরিকদের বিরুদ্ধে সরাসরি বিরোধী শিবিরের প্রার্থীকে সমর্থন ঘোষণা করেছেন।
ভোটের আগে শৃঙ্খলার প্রশ্নে কোনওরকম আপস করা হবে না, এই বার্তা দিতেই দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের বহিষ্কার করা হয়েছে বলে বিজেপি সূত্রের খবর। তাছাড়া বিজেপির এই বিদ্রোহীদের নিয়ে জোট শরিকরাও অসন্তুষ্ট ছিলেন। সেটাও তাঁদের বহিষ্কারের পিছনে অন্যতম কারণ হতে পারে।
মহারাষ্ট্রের ভোটপর্বে শুরু থেকেই ‘অতি সন্ন্যাসী’তে গাজন নষ্টের পরিস্থিতি বিজেপির। আসলে গত দুই নির্বাচনে মহারাষ্ট্রে বহরে বেড়েছে বিজেপি। তাছাড়া জোট শরিকদের জায়গা ছাড়তে এবার মাত্র ১৫২ আসনে লড়ছে গেরুয়া শিবির। সেই ১৫২ আসনের মধ্যেও অন্য ছোট শরিকদের জন্য ৪টি আসন ছাড়তে হয়েছে। পরিস্থিতি এমনই যে বিজেপি নেতাদেরও অন্য শরিকদের প্রতীকে লড়াই করতে হচ্ছে। অন্তত ১২ জন বিজেপি নেতা শিন্ডে সেনার টিকিটে লড়ছেন। আরও অন্তত পাঁচজন বিজেপি নেতা লড়ছেন এনসিপির অজিত শিবিরের হয়ে।
সর্বশেষ খবর
-
চল রাস্তায় সাজি ট্রামলাইন… এবার সল্টলেক, নিউটাউনেও! ফের শহরে স্বমহিমায় ফিরছে ট্রাম পরিষেবা
-
যানজটের সমস্যা মেটাতে ‘মাস্টারস্ট্রোক’, ‘অবৈধ’ ক্লাব ভাঙার নির্দেশ বাঁকুড়ার বিধায়কের
-
বিজেপি নেতাকে প্রাণে মারার চেষ্টা! গ্রেপ্তার রহিম নবির ভাই-সহ দুই তৃণমূল নেতা
-
শহর ছাড়িয়ে বহরমপুরের চিকিৎসা কেন্দ্রে অরিজিৎ, অসুস্থ গায়ক? উদ্বিগ্ন ভক্তরা
-
জমি ‘দখল’ তৃণমূল নেতার, ১২ বছরেও সুবিচার না পেয়ে মন্ত্রী শংকর ঘোষের দ্বারস্থ জওয়ান