Maharashtra

‘আমি শিবের অবতার, তুমি পার্বতী’, নিজেকে ‘ঈশ্বর’ পরিচয় দিয়ে যুবতীকে লাগাতার ধর্ষণ ভণ্ড সাধুর!

একটি লজে নির্যাতিতাকে ডেকে পাঠান অভিযুক্ত। সেখানে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণ করা হয় নির্যাতিতাকে। তাঁর বেশ কয়েকটি ছবিও তুলে রাখা হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২৬, ১৫:৫৬

options
link
‘আমি শিবের অবতার, তুমি পার্বতী’, নিজেকে ‘ঈশ্বর’ পরিচয় দিয়ে যুবতীকে লাগাতার ধর্ষণ ভণ্ড সাধুর!
নিজেকে শিবের অবতার হিসাবে পরিচয় দিয়েছিলেন অভিযুক্ত ঋষিকেশ। ছবি: সংগৃহীত

নিজেকে শিবের অবতার বলে পরিচয় দিয়ে লাগাতার ধর্ষণের অভিযোগ উঠল মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, ঋষিকেশ বৈদ্য নামে ওই ব্যক্তি একটি সমাজকল্যাণ মূলক সংস্থা চালান। বছর তিনেক আগে ফেসবুকে আলাপ হওয়া এক মহিলার কাছে নিজের পরিচয় দেন শিবের অবতার হিসাবে। তারপরে হোটেলে নিয়ে গিয়ে ওই মহিলাকে ধর্ষণ করেন ঋষিকেশ।

Advertisement

দিনকয়েক আগে নাসিকে জ্যোতিষী পরিচয় দিয়ে ৫৮ জন মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সেই ভুয়ো জ্যোতিষী গ্রেপ্তার হওয়ার পরেই সাহস পেয়েছেন পালঘরের এই নির্যাতিতা। ৩৫ বছর বয়সি ওই মহিলা এফআইআর দায়ের করেছেন ঋষিকেশের বিরুদ্ধে। জানিয়েছেন, নিজেকে শিবের অবতার হিসাবে পরিচয় দিয়েছিলেন ঋষিকেশ। নির্যাতিতাকে পার্বতী বলে অভিহিত করতেন। সেই ছুতোয় লাগাতার ধর্ষণ করেছেন, এমনটাই অভিযোগ ঋষিকেশের বিরুদ্ধে। একাধিক মহিলার সঙ্গে এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন তিনি, এমনটাই অভিযোগ এনেছেন নির্যাতিতা।

Advertisement

এফআইআরে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে ফেসবুকে নির্যাতিতার সঙ্গে ঋষিকেশের আলাপ হয়। সেবছরই ডিসেম্বর মাসে পুণের একটি লজে নির্যাতিতাকে ডেকে পাঠান অভিযুক্ত। সেখানে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণ করা হয় নির্যাতিতাকে। তাঁর বেশ কয়েকটি ছবিও তুলে রাখা হয়। পরবর্তীকালে ওই ছবি নিয়েই ব্ল্যাকমেল শুরু করেন ঋষিকেশ। গত বছরও ওই ছবি ফাঁস করার ভয় দেখিয়ে নির্যাতিতাকে হোটেলে ডেকে পাঠিয়েছেন ঋষিকেশ। শেষ পর্যন্ত সাহস সঞ্চয় করে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন নির্যাতিতা। এফআইআরের ভিত্তিতে ঋষিকেশকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, নিজেকে জ্যোতিষী বা ধর্মগুরু পরিচয় দিয়ে যৌন হেনস্তার অভিযোগ সম্প্রতি হুহু করে বেড়েছে মহারাষ্ট্রে। নাসিকের অশোক খারাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি নিজেকে অবসরপ্রাপ্ত নৌসেনা অফিসার বলে দাবি করতেন। ব্যক্তিগত সমস্যার সমাধান করে দেওয়ার দাবি জানিয়ে মহিলাদের তিনি নিজের অফিসে ডেকে আনতেন। তারপর সম্ভবত তাদের কোনও মাদক খাইয়ে ধর্ষণ করতেন, সবটাই রেকর্ড হয়ে যেত ঘরে লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.