প্রথম পক্ষ বড় প্রিয়, দ্বিতীয় স্ত্রীকে নৃশংসভাবে খুন করে ধৃত যুবক

প্রথমে সহবাস, তারপর বিয়ে এবং সবশেষে খুন! নারকীয় ঘটনা রাজধানীতে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০১৮, ১২:৪১

options
link
প্রথম পক্ষ বড় প্রিয়, দ্বিতীয় স্ত্রীকে নৃশংসভাবে খুন করে ধৃত যুবক

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্ত্রীকে অত্যাচারের ঘটনা প্রায়ই শোনা যায়, কিন্তু তাই বলে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে থাকবে বলে দ্বিতীয় স্ত্রীকে খুন! এমন ঘটনা সত্যিই নজিরবিহীন। আর এবার তেমনই এক ঘটনার সাক্ষী থাকল রাজধানী দিল্লি।  

Advertisement

অনেকদিন ধরেই পাড়া-পড়শিরা বন্ধ বাড়ির ভেতর থেকে পচা দুর্গন্ধ পাচ্ছিলেন। সে বিষয়ে তাঁরা বাড়ির মালিকেও জানাবেন ভেবেছিলেন। কিন্তু বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করার পরও যখন ফিরলেন না তিনি, তখন বাধ্য হয়ে পুলিশে খবর দিলেন তাঁরা। পুলিশ এসে বাড়ির দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকতেই লাগল আসল চমক। দেখা গেল, বাড়ির মধ্যে একটা বাক্সের মধ্যে রাখা আছে ওই বাড়িতে যুবতীর মৃতদেহ। পুলিশি তদন্তে হল রহস্য উন্মোচন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Wife Death 2_Web

Advertisement

[পাকিস্তান চাইলেও কাশ্মীর কেড়ে নিতে পারবে না, চ্যালেঞ্জ রাজনাথের]

জানা গেল. তুঘলকাবাদে ওই বাড়ির বাসিন্দা সুরেশ এবং মারিয়া ২০০৫ সাল থেকে লিভ ইন করতেন। তাদের মধ্যে প্রথমদিকে সব কিছু ঠিকঠাকই ছিল। কিন্তু ২০১৫ সালে সুরেশ তাঁর পরিবারের চাপে তাঁদের গ্রামের একটি মেয়েকে বিয়ে করার পর থেকেই মারিয়া আর সুরেশের মধ্যে শুরু হয় ঝামেলা। মারিয়া বারবার সুরেশকে তাঁকে বিয়ে করার জন্য চাপ দিতে থাকে। সুরেশ প্রথম দিকে এড়িয়ে গেলেও, পরে বাধ্য হয়ে মারিয়াকে বিয়ে করে। কিন্তু বিয়ের কয়েকদিনের মধ্যেই সে বুঝতে পারে গ্রামে থাকা স্ত্রীকে সে ভালবেসে ফেলেছে। তাই তার কাছে ফিরে যাওয়ার জন্যই ১১ জানুয়ারি মুখে বালিশ চাপা দিয়ে সে খুন করে মারিয়াকে এবং দিল্লির ওই ফ্ল্যাটে মারিয়ার মৃতদেহ বাক্সবন্দি করে সে ফিরে যায় গ্রামের বাড়িতে। উসমান নামে  সুরেশের একজন প্রতিবেশী পুলিশকে জানায়, অনেকদিন ধরেই তাঁরা বাড়ির মধ্যে থেকে পচা গন্ধ পাচ্ছিলেন এবং এই কথা সে বহুবার সুরেশকে জানানোর জন্য ফোন যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে সুরেশ ফোন না তোলায় তাঁর সন্দেহ হয়, তখন অন্যান্য প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে সে মারিয়ার ভাইকে ফোন করে। মারিয়ার ভাই সুরেশকে ফোন করলে সে জানায় যে সে মারিয়াকে নিয়ে বেঙ্গালুরু এসেছে। কিন্তু মারিয়ার সঙ্গে কথা বলাতে বললে, সে কথা একেবারে এড়িয়ে যায় সুরেশ। তখন সন্দেহর বশবর্তী হয়ে পুলিশে খবর দেয় প্রতিবেশী উসমান এবং মারিয়ার ভাই। আর তারপরই আসল সত্য উদঘাটিত হয়। বর্তমানে পুলিশ সুরেশকে তার গ্রামের বাড়ির কাছ থেকে গ্রেপ্তার করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে।

[৪৮ ঘণ্টায় ১৮টি এনকাউন্টার, ‘আত্মরক্ষায় গুলি’ সাফাই যোগীর রাজ্যের পুলিশের]

 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.