Mangarh Dham

লক্ষ্য ভিলদের সমর্থন! ‘আদিবাসী জালিয়ানওয়ালাবাগে’ একমঞ্চে মোদি-গেহলট

'মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে উনি আমাদের সিনিয়র', গেহলটকে নিয়ে বললেন মোদি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১, ২০২২, ১৪:২৮

options
link
লক্ষ্য ভিলদের সমর্থন! ‘আদিবাসী জালিয়ানওয়ালাবাগে’ একমঞ্চে মোদি-গেহলট

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রথমবার একমঞ্চে অশোক গেহলট এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। দীর্ঘদিন তাঁরা দুই প্রতিবেশী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। বহু ইস্যুতে বহুবার একসঙ্গে বৈঠকেও থাকতে হয়েছে। কিন্তু প্রকাশ্যে একমঞ্চে দেখা যায়নি বিজেপি এবং কংগ্রেসের দুই শীর্ষ নেতাকে। এই প্রথমবার রাজস্থানের মানগড়ে একমঞ্চে দেখা গেল গেহলট (Ashok Gehlot) এবং মোদিকে।

Advertisement

মঙ্গলবার রাজস্থানের মানগড়ে আদিবাসীদের একটি অনুষ্ঠানে একমঞ্চে দেখা যায় সেরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী গেহলট এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। উপস্থিত ছিলেন প্রতিবেশী রাজ্য গুজরাট এবং মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীরাও। ১৯১৩ সালের ১৭ নভেম্বর এই মানগড়েই ভিল আদিবাসী (Vill Tribal) প্রজাতির প্রায় দেড় হাজার মানুষকে গুলি করে মেরেছিল ব্রিটিশ সেনা। এই ঘটনাকে ‘আদিবাসী জালিয়ানওয়ালাবাগ’ বলেও অভিহিত করা হয়। ঘটনার পর একশো বছরেরও বেশি সময় কেটে গেলেও রাজস্থান ও গুজরাট (Gujarata) সীমান্তে অবস্থিত মানগড় ধাম ঘিরেই মূলত ভোটবাক্সের লড়াই আবর্তিত হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: উপনির্বাচনের আগে ৫ কোটিরও বেশি লেনদেন, তেলেঙ্গানার বিজেপি প্রার্থীকে নোটিস কমিশনের]

গুজরাট এবং রাজস্থান ভোটের আগে এই ভিলদের সমর্থন কুড়োতে উদ্যোগী হয়েছে কংগ্রেস। পালটা আসরে নেমেছে বিজেপিও (BJP)। মানগড় ধামে দুই শিবিরের হেভিওয়েটদের এই সম্মেলন মূলত ভিলদের সমর্থন কুড়নোর লড়াই। আদিবাসী ভোটাররা এই এলাকায় এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে তাদের নিজেদের দলে টানতে একমঞ্চে চলে এসেছেন মোদি-গেহলটের মতো যুযুধান প্রতিদ্বন্দ্বীও। বিজেপির আরও দুই হেভিওয়েট মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান এবং ভুপেন্দ্র প্যাটেলও যোগ দেন ভিলদের এই সমাবেশে। এই সমাবেশের মঞ্চ থেকেই মোদি রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ এবং গুজরাট সরকারকে রামগড় এলাকায় আদিবাসী তীর্থক্ষেত্র গড়ে তোলার রোডম্যাপ তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন।   দুই শিবিরের যৌথমঞ্চে সরাসরি রাজনীতির কথা না শোনা গেলেও ঘুরিয়ে পরস্পরকে খোঁচা দিয়েছেন মোদি-গেহলট দুজনেই। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভারত-চিন সীমান্তে দুর্গম পথে সেনাকে সাহায্য, মেডেল পেল ITBP-র ইয়াক ও ঘোড়া]

গেহলট যেমন বলে দিয়েছেন, “মোদি বিদেশে গিয়ে এত সম্মান পান কারণ তিনি গান্ধীর দেশের প্রতিনিধি। এ দেশে গণতন্ত্র গভীরে গ্রোথিত। সেটা যখন তাঁরা বুঝতে পারেন, তাঁরা গর্ব অনুভব করেন। সেকারণেই মোদিকে এত সম্মান দেন।” মোদি আবার কংগ্রেসকে (Congress) খোঁচা দিয়ে বলে দিয়েছেন,”স্বাধীনতার পর এত বছর ভারতে আদিবাসীদের সম্মান দেওয়া হত না। ভারতের ইতিহাস আপনাদের ছাড়া অসম্পূর্ণ। এই মানগড় ধাম আদিবাসীদের সাহস এবং আত্মত্যাগের প্রতীক।” তবে কংগ্রেসকে খোঁচা দিলেও ব্যক্তিগতভাবে গেহলটকে আক্রমণ করেননি তিনি। বরং নিজের সিনিয়রের উদ্দেশে সম্ভ্রমের সুর শোনা গিয়েছে তাঁর মুখে। মোদি বলছিলেন,”আমি আর গেহলটজি দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করেছি। উনি তখন আমার চেয়ে সিনিয়র মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। এখনও তিনি আমাদের সবার মধ্যে সিনিয়র মুখ্যমন্ত্রী।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন