সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের উপনির্বাচন কিংবা মহারাষ্ট্রে বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর দলকে বিশ্রী হারের মুখে পড়তে হয়েছে। অভিমানে বহুজন সমাজ পার্টি তথা বিএসপির প্রধান মায়াবতী জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁর দল কোনও উপনির্বাচনেই লড়বে না। তাঁর দলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েই যখন প্রশ্ন উঠে গিয়েছে, সেই পরিস্থিতিতে এবার দলের এক সিনিয়র নেতাকে বিএসপি থেকে বহিষ্কার করলেন নেত্রী। তাঁর ‘অপরাধ’ সমাজবাদী পার্টির বিধায়কের সঙ্গে নিজের ছেলের বিয়ে দেওয়া।
বরেলির সুরেন্দ্র সাগর বিএসপির এক উজ্জ্বল নেতা। রামপুর জেলার সভাপতির দায়িত্ব সামলেছেন পাঁচবার। ছিলেন ক্যাবিনেট মন্ত্রীও। কিন্তু এমন গুরুত্বপূর্ণ নেতার প্রতিই এবার ক্ষুব্ধ মায়াবতী। আম্বেদকরনগরে সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক ত্রিভুবন দত্ত। একসময় তিনি অবশ্য বিএসপিতেই ছিলেন। হয়েছিলেন সাংসদ ও বিধায়ক। কিন্তু দল ছেড়ে অখিলেশের দলে গিয়ে তিনি এখন মায়াবতীর বিরাগভাজন। আর তাঁর মেয়ের সঙ্গেই ছেলের বিয়ে ঠিক করেছেন সুরেন্দ্র। বিষয়টি কানে যেতেই তাঁকে বহিষ্কার করেছেন মায়াবতী। সরিয়ে দিয়েছেন রামপুরের জেলা সভাপতি প্রমোদ সাগরকেও। এদিকে সুরেন্দ্র সাগর এই বিষয়ে তাঁর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেছেন, ”আমি কোনও অনিয়ম করিনি। আমি কেবল আমার ছেলে অঙ্কুরের সঙ্গে এসপি বিধায়ক ত্রিভুবন দত্তের মেয়ের বিয়ে দিয়েছি।” কিন্তু মায়াবতী নিজের সিদ্ধান্তে অনড়। তাঁর মতে, এই ধরনের আচরণ দলবিরোধী কার্যকলাপেরই শামিল।
অবশ্য এমন ঘটনা মায়াবতীর দলে এই প্রথম ঘটল তা নয়। গত নভেম্বরেই বিএসপি সুপ্রিমো দল থেকে বহিষ্কার করেছেন দলের প্রাক্তন ডিভিশনাল-ইন-চার্জ প্রশান্ত গৌতমকেও। তিনি বিএসপিরই এক সিনিয়র নেতা মানকাদ আলির ছেলের বিয়েতে গিয়েছিলেন। মানকাদের সঙ্গে আত্মীয়তা রয়েছে কাদির রানার। এই কাদি মীরাপুরের উপনির্বাচনে এসপির টিকিটে লড়েছিলেন। আর তাই প্রশান্তের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ করতে দেখা গিয়েছিল প্রবীণ নেত্রীকে।
সর্বশেষ খবর
-
ফুটবলের পর এবার ক্রিকেটেও মালিকানা, নতুন দল কিনলেন জন আব্রাহাম, সঙ্গী জন্টি রোডস
-
জঙ্গলে লুকিয়ে ১০০০ বছরের প্রাচীন শহর, কেন হয়েছিল জনশূন্য? হতবাক গবেষকরা
-
পার্টনারের সঙ্গে কখনওই ঝগড়া হয় না বলে গর্ব করেন? নেপথ্যে থাকতে পারে ৪ জটিল মনস্তত্ব
-
চিরকালের জন্য বাকিংহাম প্যালেস ছাড়লেন রাজা চার্লস! হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত?
-
স্বাস্থ্যকর খাবার বানাতে সর্বক্ষণ এয়ার ফ্রায়ারের ব্যবহার, ক্ষতির পরিমাণ বাড়ছে না তো?