Bihar

খোলা বাজারে মাছ-মাংস বিক্রি বন্ধ বিহারে! ‘এসি ঘরে বিকোবে?’ তোপ বামেদের

মঙ্গলবারই পদ্ম জোটের বিহারে এমন ঘোষণা ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ২০:০৭

options
link
খোলা বাজারে মাছ-মাংস বিক্রি বন্ধ বিহারে! ‘এসি ঘরে বিকোবে?’ তোপ বামেদের
মঙ্গলবার থেকেই লাগু হল নয়া নির্দেশিকা।

খোলা জায়গায় মাংস বিক্রি করা যাবে না বিহারে। মঙ্গলবারই রাজ্যের নগরোন্নয়ন ও আবাসন দপ্তরের তরফে এই নির্দেশিকা জারি হতেই বিতর্ক তুঙ্গে। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও জনতার আবেগের বিষয়টি মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে বিরোধীদের তোপ, তাহলে কি এবার শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কামরার ভিতরে মাছ-মাংস বিক্রি করতে হবে?

Advertisement

এমন নিয়ম যে আনা হতে পারে তা আগেই আভাস দিয়েছিলেন বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা বিজয় সিনহা। অবশেষে জারি হল নির্দেশিকা। সেখানে পরিষ্কার বলা হয়েছে, খোলা জায়গায় কোনওভাবেই মাছ-মাংস বিক্রি করা যাবে না। নিয়ম না মানলে দিতে হবে ৫ হাজার টাকা জরিমানা। কেবল তাই নয়, মাংস বিক্রির ক্ষেত্রে সমস্ত বিক্রেতারই লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি মানতে হবে নানা নিয়ম। যেমন মাংসের দোকানে এমনভাবে কালো কাচ বা পর্দা রাখতে হবে যাতে মাংস কাটার দৃশ্য বাইরে থেকে কোনওভাবেই দেখা না যায়। তাছাড়া কোনও ধর্মীয় স্থান কিংবা বিদ্যালয়ের আশপাশে এই ধরনের দোকান থাকতে পারবে না। মাংস ঝুলিয়ে রাখা যাবে না। দোকানে যা বর্জ্য জমবে তা নির্দিষ্ট জায়গাতেই কেবলমাত্র রাখতে হবে, যাতে পুর কর্মীরা সহজেই সন্ধান পেতে পারেন।

Advertisement

নির্দেশিকায় পরিষ্কার বলা হয়েছে, খোলা জায়গায় কোনওভাবেই মাছ-মাংস বিক্রি করা যাবে না। নিয়ম না মানলে দিতে হবে ৫ হাজার টাকা জরিমানা।

বাম দলের বিধায়ক অজয়​কুমার এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে এই বিষয়ে বলতে গিয়ে বলেন যে, সংখ্যালঘুদের ‘টার্গেট’ করতেই এমন সিদ্ধান্ত। বিজয় সিনহা নিজের ইচ্ছেমতো নিয়ম লাগু করতে পারেন না বলেও তীব্র সমালোচনা করেছেন তিনি। তাঁর খোঁচা, বেশিরভাগ কসাইখানা আরএসএস ও বিজেপি নেতাদের মালিকানাধীন। পাশাপাশি তাঁর প্রশ্ন, “যদি খোলা জায়গায় না থাকে, তাহলে কি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে মাংস বিক্রি হবে?”

Advertisement

এদিকে রাজ্যের সব বিরোধীরাই এমন তীব্র আক্রমণ করছেন তা নয়। লালুপ্রসাদ যাদবের দল আরজেডির বিধায়ক ভাই বীরেন্দ্র বলছেন, ”এটা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত। আমরা বিষয়টা পর্যালোচনা করে তবেই মন্তব্য করব।” পাশাপাশি নীতীশ কুমারের দল জেডি(ইউ)-এর নেতা শ্রাবণ কুমার বলেছেন, “এই নিয়ম আগে থেকেই ছিল। যদি কঠোরভাবেও প্রয়োগ করা হয়, তাহলে কারও অসুবিধা হওয়া উচিত নয়।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.