Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৭ জুন ২০২৬
Indian Navy

বিশাখাপত্তনমে বাংলাদেশের যুদ্ধজাহাজ! সাগরে যৌথ মহড়ায় শক্তি দেখাবে ভারতীয় নৌসেনা

আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এই নৌবহর পর্যালোচনা করবেন। কর্মসূচিতে অংশ নেবে বিভিন্ন দেশের ৭১টি জাহাজ ও সাবমেরিন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৬:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৬:০৯

options
link
বিশাখাপত্তনমে বাংলাদেশের যুদ্ধজাহাজ! সাগরে যৌথ মহড়ায় শক্তি দেখাবে ভারতীয় নৌসেনা zoom
বঙ্গোপসাগরে নৌসেনার মহড়া। ফাইল ছবি

ভারত মহাসাগরে যুদ্ধের প্রস্তুতি! সেই যুদ্ধের মহড়ায় অংশ নিতে একে একে উপস্থিত হল ইন্দোনেশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, বাংলাদেশের মতো একাধিক দেশ। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আয়োজিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নৌবহর পর্যালোচনা (Fleet Review) এবং নৌবাহিনীর মিলন মহড়ার (Excise MILAN)। সেই উপলক্ষেই বিশাখাপত্তনমে উপস্থিত হয়েছে বিশ্বের একাধিক দেশের নৌবাহিনী। শুধু যুদ্ধমহড়া নয়, কূটনৈতিক দিক থেকেও এই সামরিক কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সেনা সূত্রে জানা যাচ্ছে, গত সোমবার এই মহড়ায় অংশ নিতে উপস্থিত হয়েছে ইন্দোনেশিয়ান নৌবাহিনীর ফ্রিগেট KRI Bung Tomo-357। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির নৌসেনার কর্ভেট আল-ইমারাত যোগ দিয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল এই মহড়ায় যোগ দিয়েছে বাংলাদেশের নৌসেনার জাহাজ ‘বিএনএস সমুদ্র অভিযান’ও। এই তিন দেশের পাশাপাশি ইতিমধ্যেই বিশাখাপত্তনম এসে পৌঁছেছে থাইল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং শ্রীলঙ্কার যুদ্ধজাহাজ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নৌবহরে অংশ নেবে ভারতীয় নৌসেনার ৪৫টি জাহাজ, ১৯টি বিদেশি জাহাজ। এছাড়া কোস্টগার্ড, মার্চেন্ট নেভি এবং গবেষণা কাজে ব্যবহৃত জাহাজও এতে অংশ নেবে। মহড়ার বিশেষ আকর্ষণ ভারতের বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত।

জানা যাচ্ছে, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এই নৌবহর পর্যালোচনা করবেন। কর্মসূচিতে অংশ নেবে বিভিন্ন দেশের ৭১টি জাহাজ ও সাবমেরিন। জাহাজগুলিকে ৬টি সারিতে সাজানো হবে। নৌবহরে অংশ নেবে ভারতীয় নৌসেনার ৪৫টি জাহাজ, ১৯টি বিদেশি জাহাজ। এছাড়া কোস্টগার্ড, মার্চেন্ট নেভি এবং গবেষণা কাজে ব্যবহৃত জাহাজও এতে অংশ নেবে। মহড়ার বিশেষ আকর্ষণ ভারতের বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত। উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালে মাত্র চারটি দেশকে সঙ্গে নিয়ে শুরু হয়েছিল এই মিলান মহড়া। বর্তমানে এই ব্যপ্তি অনেকখানি বেড়েছে। ৬৫টি দেশের নৌসেনা ইতিমধ্যেই অংশ নিয়েছে এই মহড়ায়।

এসবের মাঝেই উল্লেখযোগ্য হল এই মহড়ায় বাংলাদেশের যুদ্ধ জাহাজের যোগদান। ইউনুস জমানায় ভারত ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক অচলাবস্থা পেরিয়ে এই মহড়ায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বাংলাদেশকেও। এককালে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকলেও ইউনুস জমানায় সে সম্পর্কের দড়িতে টান পড়ে। ভারত বিদ্বেষের পথে হেঁটে পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মেলায় বাংলাদেশ। এমনকী ১৯৭১ সালের পর প্রথমবার বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করে পাকিস্তানি কোনও যুদ্ধজাহাজ। তবে বাংলাদেশে ইউনুসের দাপাদাপি শেষ হতেই নয়া বিএনপি সরকারের দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়েছে ভারত। ফলে নৌসেনা মহড়ায় বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ দিল্লির বিরাট কূটনৈতিক পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.