সাহস থাকে তো সীমান্তে দাঁড়িয়ে লড়াই করুন ভাগবত, আক্রমণাত্মক ওয়েসি

ভারতীয় সেনাকে উপহাসের জবাব।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২১, ১৯:২৪

options
link
সাহস থাকে তো সীমান্তে দাঁড়িয়ে লড়াই করুন ভাগবত, আক্রমণাত্মক ওয়েসি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাহস থাকে তো নিয়ন্ত্রণরেখায় দাঁড়িয়ে পাক-সেনার বিরুদ্ধে লড়াই করুন মোহন ভাগবত। তোপ দাগলেন মুসলিম নেতা ওয়েসি। তাঁর দাবি, ভারতীয় সেনার ক্ষমতা নিয়ে উপহাস করেছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। তিনি নিজে আরএসএস কর্মীদের তালিম দিচ্ছেন। সেই তালিমপ্রাপ্ত কর্মীরা নাকি সেনাদের হারিয়ে দেবে। তিন দিনে সেনা নামিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন তিনি। এতই যখন সাহস তাহলে ভারত-পাক সীমান্তে গিয়ে একবার লড়াই করেই দেখান না। দেশের সেনাবাহিনীকে খাটো করে দেখানোর প্রতিক্রিয়ায় এভাবেই মোহন ভাগবতকে ঠুকলেন এই নেতা।

Advertisement

[শিবরাত্রিতে খিচুড়ি প্রসাদ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেন ১৫০০ ভক্ত]

ওয়েসি বলেন, কী করে তিনি তাঁর দলের ক্যাডারদের সঙ্গে দেশের সেনাবাহিনীর তুলনা টানেন? কোনও রাজনৈতিক দলের ক্যাডাররা ভারতীয় সেনার সমকক্ষ হতে পারে না। দলীয় ক্যাডারদের সঙ্গে কখনও সেনার তুলনা টানা যায় না। মোহন ভাগবত কি জানেন, কীভাবে আমাদের দেশের সেনার সীমান্তে প্রতিটি দিন কাটায়। শত্রুর গুলির সামনে কীভাবে মোকাবিলা করে? কি করে একটি ধর্মীয় সংগঠনের কর্মীরা সেনার প্রশিক্ষণ পায়? তিনি কি বলতে চান, সেনার থেকেও অনেক বেশি দক্ষ তাঁর দলের ক্যাডাররা? আরএসএস প্রধানের এহেন বিবৃতি অত্যন্ত গুরুতর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

MOHAN-BHAGBAT

Advertisement

সুঞ্জওয়ান জঙ্গি হামলার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মতামতও জানতে চেয়েছেন তিনি। বলেছেন, বারবার বিদেশ ভ্রমণ করে তো বড় বড় গর্ত খুঁড়ে ফেললেন মোদি। দেশের আর কি লাভ হল। সম্প্রতি ভারত ও পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টারা ব্যাংককে বৈঠকে বসলেন। কি হল তাতে ফের তো সেনারা আক্রান্ত হল। টিভির পর্দায় মুসলিমদের জাতীয়তাবোধ, দেশাত্মবোধ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। সো-কলড জাতীয়তাবাদীর খুব তো প্রশ্ন তোলেন। ‘জানেন কি, সুঞ্জওয়ান সেনা ক্যাম্পের হামলায় সাতজন মুসলিমের মৃত্যু হয়েছে। তবে সুঞ্জওয়ানে হামলা নতুন নয়। এর আগে ২০০৩ সালেও হামলা হয়েছে। বারবার হামলা হচ্ছে। তবুও উরি, পাঠানকোট হামলা থেকে কোনও শিক্ষা নেওয়া হচ্ছে না। সেনারা বার বার কেন জঙ্গি হামলার শিকার হচ্ছে? তাহলে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা কী করছে? এই হামলা তো গোয়েন্দা সংস্থার কর্মদক্ষতার ব্যর্থতা।’

[পড়শির কুনজর হটাতে ফসলভরা খেতের পাশে সানির খোলামেলা ছবি]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন