তেলেঙ্গানার রাজ্য রাজনীতিতে নয়া মোড়। দাদা ও বোনের দ্বন্দ্বে ছেলের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন বাবা। দল থেকে মেয়েকে বের করে দেওয়া হয়। এবার নিজের রাজনৈতিক দল গঠন করে তাঁদের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন মেয়ে!
আরও পড়ুন:
কয়েক মাস আগে মেয়ে কে কবিতাকে দল থেকে সাসপেন্ড করেছিলেন তেলেঙ্গানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিআরএস সুপ্রিমো কে চন্দ্রশেখর রাও (কেসিআর)। মেয়ে দলবিরোধী কাজ করছেন বলে জানিয়ে দেন তিনি। শনিবার নিজের রাজনৈতিক দল গঠনের কথা ঘোষণা করলেন কেসিআর-কন্যা। নতুন দলের নাম ‘তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সেনা’ (টিআরএস)। এমন নামকরণের মধ্যেও তেলেঙ্গানা আন্দোলনের ভাবাবেগে শান দেওয়ার গন্ধ পাচ্ছেন অনেকে। তেলেঙ্গানা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল কেসিআরের নেতৃত্বাধীন টিআরআস (তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি)। পরে দলের নাম বদলে হয় ভারত রাষ্ট্র সমিতি (বিআরএস)। নিজের দলের নাম ‘টিআরএস’ রেখে কেসিআর-কন্যা আসলে তেলেঙ্গানা আবেগকে নিজের পালে টানতে চাইছেন বলে মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।
নিজের দল ঘোষণার পরে কবিতা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘নামটা মনে রাখবেন, তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সেনা। যাই আসুক, আমরা পিছু হটব না। আমাদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালে, ছাই হয়ে যাবে। তোমাদের সময় শেষ, এবার আমাদের সময় শুরু।’ গত মাসে নতুন দল গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন কবিতা (K Kavitha)। পৃথক তেলেঙ্গানা রাজ্য গঠনের এক যুগ পরেও সাধারণ মানুষের আকাঙ্খা পূরণ হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
২০২৪ সালের মার্চে দিল্লি আবগারি কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেপ্তার হন কেসিআর-কন্যা। পাঁচ মাস জেলে থাকার পর অবশেষে জামিন পান তিনি। এর পরে বিভিন্ন সময়ে দাদা কে টি রামা রাও (কেটিআর)-এর বিরুদ্ধে সরব হন কবিতা। তাঁর বিরুদ্ধে দলের অভ্যন্তরে চক্রান্ত চলছে অভিযোগ করে বাবা তথা বিআরএস সুপ্রিমো কেসিআরকে চিঠি পর্যন্ত লেখেন। গত সেপ্টেম্বরে মেয়ে কবিতাকে বিআরএস থেকে সাসপেন্ড করেন কেসিআর।
সর্বশেষ খবর
-
অভীকদের উত্তরণের নেপথ্যে স্বাস্থ্যদপ্তরের মাথারা, থ্রেট কালচার তদন্তে বিস্ফোরক মোড়
-
রাষ্ট্রসংঘে সন্ত্রাস নিয়ে প্রশ্ন পাক সাংবাদিকের! জয়শংকর বললেন, ‘পাকিস্তানকে জিজ্ঞেস করুন’
-
আর থানার হাতে নয়, যাবতীয় দায়িত্ব নিচ্ছে সিকিউরিটি কন্ট্রোল! পাসপোর্ট যাচাইয়ে বড়সড় বদল
-
মেঘে মেঘে ভাগ ভারত! বর্ষার মরশুমে ইসরোর স্যাটেলাইট ছবিতে তুমুল চাঞ্চল্য
-
দীক্ষার নামে তারাপীঠ নিয়ে গিয়ে যুবতীকে বিয়ে, যৌনতা! কুকীর্তি ফাঁস হতেই গ্রেপ্তার ‘কাপালিক অঘোরী’