Assembly Election 2026

‘দলের অসম্মান চাই না, দয়া করে নাম কেটে দিন’, সাংসদ বাবা বিজেপিতে যেতেই আর্জি কংগ্রেস প্রার্থীর

প্রার্থীপদ ছাড়লেও কংগ্রেস ছাড়ছি না, বলছেন সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া সাংসদের ছেলে। প্রতীক চিঠিতে বলছেন, "সেই ছোটবেলা থেকে আমি কংগ্রেসের আদর্শে সম্পৃক্ত হয়ে বড় হয়েছি। তাই দলের অসম্মান চাই না।"

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৯, ২০২৬, ১৭:০৫

options
link
‘দলের অসম্মান চাই না, দয়া করে নাম কেটে দিন’, সাংসদ বাবা বিজেপিতে যেতেই আর্জি কংগ্রেস প্রার্থীর
প্রতীক বরদলুই, প্রদ্যোৎ বরদলুই। ফাইল ছবি।

বাবা একদিন আগেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। গেরুয়া শিবিরের হয়ে টিকিটও পেয়েছেন তিনি। অথচ ছেলের নাম ছিল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকায়। তিনি নিজেই এবার দলের কাছে অনুরোধ করলেন, তাঁর বদলে যেন অন্য কাউকে প্রার্থী করা হয়। দলের প্রতি সৎ থাকতে চান তিনি। কোনওভাবেই কর্মীদের সঙ্গে বেইমানি করতে চান না।
কথা হচ্ছে অসমের সদ্য কংগ্রেস ত্যাগী সাংসদ প্রদ্যুত বরদলুই এবং তাঁর ছেলে প্রতীক বরদলুইয়ের। গত লোকসভা ভোটে অসমে কংগ্রেসের মাত্র ৩ জন সাংসদ জিতেছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজন প্রদ্যুৎ বরদলুই। ভোটের মুখে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন এই বর্ষীয়ান নেতা। দল বদলেই টিকিট পেয়েছেন তিনি। তাঁকে দিশপুর বিধানসভা আসনে প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির।

Advertisement

মজার কথা হল, প্রদ্যুৎ কংগ্রেসে থাকাকালীন তাঁর ছেলে প্রতীক বরদলুইকে মারঘেরিটা কেন্দ্র থেকে টিকিট দিয়েছিল দল। প্রতীক কংগ্রেসের সোশাল মিডিয়া ছেলের সহকারী ইনচার্জও। বাবা দলত্যাগ করে বিজেপিতে যেতেই প্রতীকের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। বলাবলি শুরু হয়, বিজেপি নেতার ছেলে হয়ে প্রতীক কংগ্রেসের টিকিটে ভোটে লড়বেন কোন যুক্তিতে? আর কংগ্রেস কর্মীরাই বা তাঁকে ভরসা করবেন কীভাবে? এসব প্রশ্ন উঠলেও গত ৪৮ ঘণ্টায় দল প্রতীকের বিরুদ্ধে কোনওরকম পদক্ষেপ করেনি। এমনকী দলের তরফে তাঁর প্রার্থীপদ নিয়েও টু শব্দ করা হয়নি। আসলে কংগ্রেসও দোটানায় ছিল, বাবার সিদ্ধান্তের শাস্তি তো ছেলেকে দেওয়া যায় না।

Advertisement

এই দোটানার পরিস্থিতিতে দলকে দায়মুক্ত করলেন প্রতীক নিজেই। দলের হাইকম্যান্ডকে চিঠি লিখে প্রার্থীপদ বাতিলের আর্জি জানালেন তিনি। প্রতীক চিঠিতে বলছেন, “সেই ছোটবেলা থেকে আমি কংগ্রেসের আদর্শে সম্পৃক্ত হয়ে বড় হয়েছি। তাই দলের অসম্মান চাই না। দলের কর্মীদের প্রতি সৎ থাকতে চাই। আমি জানি এই পরিস্থিতিতে যারা কংগ্রেসের দিকে তাকিয়ে আছেন, কংগ্রেসের হাজার হাজার কর্মী, তাঁরা আমার উপর বিশ্বাস রাখতে পারবেন না। তাই আমার প্রার্থীপদ বাতিল করে দেওয়া হোক।” তবে প্রার্থীপদ বাতিল হলেও কংগ্রেসের প্রতি তিনি অনুগতই থাকবেন, বলছেন ওই কংগ্রেস নেতা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.