বাবার জন্মদিনে ভাইকে বাঁচালেন মুকেশ আম্বানি

২০০৫ সালে দাদার সঙ্গে বিবাদের জেরে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিস লিমিটেড ছেড়ে বেরিয়ে আসেন অনিল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০১৯, ১৪:৩৫

options
link
বাবার জন্মদিনে ভাইকে বাঁচালেন মুকেশ আম্বানি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রবল মতের বিরোধ। ব্যবসা সংক্রান্ত সংঘাত। পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ। সব মিলিয়ে রিলায়েন্স গোষ্ঠীর দুই কর্ণধার মুকেশ ও অনিল অম্বানির সম্পর্ক অনেকটাই টক ঝাল মিষ্টি। তবে চাপানউতোর থাকলেও আজও দুই ভাইয়ের সম্পর্কে ফাটল ধরেনি তা প্রমাণ করলেন মুকেশ আম্বানি। বৃহস্পতিবার, ছোট ভাই অনিল আম্বানির ধুঁকতে থাকা টেলিকম ব্যবসাকে চাগিয়ে তুলতে তাঁকে ২৩ হাজার কোটি টাকার মদত দিয়েছেন তিনি। বাবা ধীরুভাই আম্বানির জন্মদিনে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন ‘রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিস লিমিটেড’-এর চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি।

Advertisement

[বিপাকে ‘মহারাজা’, উদ্বেগ বাড়াল কেন্দ্রের বয়ান]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০০৫ সালে দাদার সঙ্গে বিবাদের জেরে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিস লিমিটেড ছেড়ে বেরিয়ে আসেন অনিল। ওই বছরই ‘রিলায়েন্স গ্রুপ’ গঠন করেন তিনি। মূলত টেলিকম ব্যবসা চালিয়ে ‘RCom’ নাম দিয়ে মোবাইল পরিষেবা চালু করেন তিনি। ‘২০১০ সালে ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা হিসেবে জায়গা করে নেয় ‘RCom’। তবে শীঘ্রই শেষ হয়ে আসে অনিলের সুদিন। বিভিন্ন ব্যবসায়িক কারণে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা ঋণের বোঝা চেপে বসে ‘RCom’-এর ঘাড়ে। প্রায় সর্বস্বান্ত হওয়ার পথে পা বাড়িয়ে চলতি বছরের নভেম্বর থেকে মোবাইল পরিষেবা বন্ধ করে দেয় অনিলের সংস্থাটি।

Advertisement

এই পরিস্থিতিতেই ভাইয়ে সাহায্যে এগিয়ে আসেন মুকেশ। এদিন তিনি জানান, Jio-র সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে ‘RCom’। প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকার ওই চুক্তির আগামী বছর মার্চ মাসের মধ্যে কার্যকরী করা হবে। জানা গিয়েছে, এই চুক্তির পর আর মোবাইল অপারেটর থাকছে না অনিলের সংস্থাটি। ‘RCom’-এর সমস্ত মোবাইল টাওয়ার, স্পেকট্রাম ও সরঞ্জাম কিনে ফেলতে চলেছে মুকেশের সংস্থাটি। ২০১৬-র সেপ্টেম্বরে টেলিকম ব্যবসা তুমুল সাড়া ফেলে Jio পরিষেবা শুরু করেন মুকেশ আম্বানি। প্রথমবারে বাবে সম্পূর্ণ ফ্রি ভয়েস কল চালু করে অন্যান্য কোম্পানির অধিকাংশ গ্রাহক কবজা করে নেয় Jio। ফলে মাথায় হাত পড়ে ভোডাফোন, আইডিয়া-র মতো সংস্থাগুলির। তবে দুই সংস্থায় এক হয়ে বাজারে টিকে থাকে। কিন্তু গ্রাহক হারিয়ে প্রবল ক্ষতির সন্মুখীন হয় অনিলের সংস্থাটি।

[দেড় কেজি গাঁজা হবে? ফোন পেয়ে তাজ্জব নারকোটিক্স কর্তা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.