Mukul Roy

‘সুপ্রিম’ নির্দেশে এখনই খারিজ হচ্ছে না মুকুলের বিধায়ক পদ, শুভ্রাংশুর মামলায় শুভেন্দুদের নোটিস আদালতের

৪ সপ্তাহের মধ্যে নোটিসের জবাব দিতে নির্দেশ আদালতের। ৬ সপ্তাহের পর মামলার শুনানি।

Advertisement
সোমনাথ রায়
সোমনাথ রায়

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১৫:১৩

options
link
‘সুপ্রিম’ নির্দেশে এখনই খারিজ হচ্ছে না মুকুলের বিধায়ক পদ, শুভ্রাংশুর মামলায় শুভেন্দুদের নোটিস আদালতের

কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক মুকুল রায়ে (Mukul Roy) বিধায়ক পদ খারিজের রায়ে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের। মুকুলের ছেলে শুভ্রাংশু রায়ের করা মামলায় এই রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ। পাশাপাশি বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ও বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায়-সহ সব পক্ষকে নোটিস দেওয়া হয়েছে। ৪ সপ্তাহের মধ্যে নোটিসের জবাব দিতে নির্দেশ আদালতের। ৬ সপ্তাহের পর মামলার শুনানি।

Advertisement

কলকাতা হাই কোর্ট মুকুল রায়ের (Mukul Roy) বিধায়ক পদ খারিজের রায় দেয়। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যান মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু রায়। শুক্রবার সেই মামলার শুনানিতে আদালতের পর্যবেক্ষণ, মুকুল রায় গুরুতর অসুস্থ। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সে কথাকে মাথায় রেখে কলকাতা হাই কোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ দেয় শীর্ষ আদালত। পাশাপাশি সব পক্ষ থেকে হলফনামা তলব করা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০১৭ সালের নভেম্বরে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলের তৎকালীন সর্বভারতীয় সম্পাদক মুকুল রায়। কয়েকবছর পর তাঁর ছেলে শুভ্রাংশুও দলবদল করেন। ২০২০ সালে দলের হয়ে ভাল কাজ করার ‘পুরস্কার’ হিসাবে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব পান মুকুল।

বিজেপি ছেড়ে ফের তৃণমূলে ফিরে আসার পর মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন জানান শুভেন্দু অধিকারীরা। হাই কোর্টে মামলা দায়ের হয়। ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে দলত্যাগ বিরোধী আইন অনুযায়ী কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়কের পদ খারিজের নির্দেশ দেন বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ। তবে প্রশ্ন ওঠে আদালত কোনও জনপ্রতিনিধির বিধায়ক পদ কাড়তে পারে কি? এবার সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাই কোর্টের সেই রায়ে স্থগিতাদেশ দিল।

Advertisement

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের নভেম্বরে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলের তৎকালীন সর্বভারতীয় সম্পাদক মুকুল রায়। কয়েকবছর পর তাঁর ছেলে শুভ্রাংশুও দলবদল করেন। ২০২০ সালে দলের হয়ে ভাল কাজ করার ‘পুরস্কার’ হিসাবে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব পান মুকুল। একুশের বিধানসভা ভোটে প্রায় প্রচার ছাড়াই কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে বড় ব্যবধানে জেতেন মুকুল রায়। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের পরপরই তিনি নিজের পুরনো দল তৃণমূলে ফিরে যান।

মুকুলের এই ঘর ওয়াপসির পরই তাঁর বিধায়কপদ খারিজের দাবিতে স্পিকারের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। যদিও বিধানসভায় মুকুল দাবি করে এসেছেন, তিনি বিজেপির বিধায়ক। এর মধ্যে আবার PAC’র চেয়ারম্যান পদও যায় মুকুলের হাতেই। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেও আবেদন করে বিজেপি। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। বিজেপির সব অভিযোগ খারিজ করে মুকুলের বিধায়ক পদ বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন স্পিকার। হাই কোর্টে মামলা দায়ের করেন শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির অম্বিকা রায়রা।  

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন