Mumbai

বিরিয়ানির পর তরমুজ খেয়ে মৃত একই পরিবারের চারজন! বিষক্রিয়া নাকি অন্য কিছু?

হাসপাতালে ভর্তি করা হলে একের পর এক মৃত্যু হয় চারজনেরই। মুম্বইয়ের পায়ধুনি এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ১৭:১৪

options
link
বিরিয়ানির পর তরমুজ খেয়ে মৃত একই পরিবারের চারজন! বিষক্রিয়া নাকি অন্য কিছু?
মৃত একই পরিবারের চার সদস্য।

ডিনারে বিরিয়ানির পর গভীর রাতে পরিবারের চার সদস্য মিলে খেয়েছিল তরমুজ। এরপর থেকে চারজনেরই শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। হাসপাতালে ভর্তি করা হলে একের পর এক মৃত্যু হয় চারজনেরই। মুম্বইয়ের পায়ধুনি এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। মনে করা হচ্ছে, খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু অন্য কোনও সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

Advertisement

মৃতদের নাম আবদুল্লাহ দোখাদিয়া (৪০), তাঁর স্ত্রী নাসরিন দোখাদিয়া (৩৫) এবং তাঁদের দুই মেয়ে আয়েশা (১৬) ও জয়নাব (১৩)। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ২৫ এপ্রিল রাতে আত্মীয়দের নিজের বাড়িতে আমন্ত্রণ জানান আবদুল্লাহ। তাঁরা সকলে মিলে বিরিয়ানি খান। তারপর আত্মীয়রা নিজেদের বাড়িতে ফিরে গেলে গভীর রাত ১টা নাগাদ স্ত্রী, সন্তানদের নিয়ে তরমুজ খান আবদুল্লাহ। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। ভোর ৫টা নাগাদ তাঁদের শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। এরপর তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁদের জে জে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় চারজনের।

Advertisement

ডেপুটি কমিশনার প্রবীণ মুন্ডে জানান, জে জে মার্গ থানা এলাকায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। এক পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা চিকিৎসক ডা. জায়েদ কুরেশি জানান, “রাতেই হঠাৎ তাঁদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। তাঁদের শরীরে বমি, ডায়রিয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁদের বাঁচানো যায়নি।”

Advertisement

পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই খাদ্যের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের সময় দেহের নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশ খাদ্যে বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না। তবে অন্যান্য সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। ফরেনসিক ও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিতভাবে জানা যাবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.