Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Free Trade Agreement

ব্রিটেনের পর নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ভারতের, কপালে ভাঁজ আমেরিকার!

দিল্লির ভারত মন্ডপমে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সে দেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টোড ম্যাকলে এবং ভারতের পক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল ঐতিহাসিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। মনে করা হচ্ছে, এই চুক্তির ফলে আগামী পাঁচ বছরে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দ্বিগুণ হয়ে ৫ বিলিয়ান ডলারে পৌঁছবে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ১৭:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ১৭:২৮

options
link
ব্রিটেনের পর নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ভারতের, কপালে ভাঁজ আমেরিকার! zoom
Advertisement

ব্রিটেনের পর সোমবার নিউজিল্যান্ডের সঙ্গেও একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষর করল ভারত। অস্ট্রেলিয়ার পড়শি দেশটির সংসদে এই চুক্তি অনুমোদিত হলেই চলত বছরে শেষের দিকে কার্যকর হতে পবারে ঐতিহাসিক চুক্তিটি। এদিন দিল্লির ভারত মন্ডপমে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সে দেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টোড ম্যাকলে এবং ভারতের পক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল ঐতিহাসিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। মনে করা হচ্ছে, এই চুক্তির ফলে আগামী পাঁচ বছরে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দ্বিগুণ হয়ে ৫ বিলিয়ান ডলারে পৌঁছবে। এদিকে একে একে ব্রিটেন, নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে দিল্লি বাণিজ্য চুক্তি করায় অস্বস্তি বাড়ছে ওয়াশিংটনের।

এদিন স্বাক্ষরিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিটি নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্য কমিটি পর্যালোচনা করবে। সে দেশের জাতীয় স্বার্থ বিশ্লেষণের পর (এর মধ্যে জনমত যাচাইও অন্তর্ভুক্ত), কমিটি সংসদে রিপোর্ট জমা দেবে। সব মিলিয়ে গোটা প্রক্রিয়াটিতে কমপক্ষে ছয় মাস সময় লাগবে বলেই মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে এই বাণিজ্য চুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। যদিও মাঝপথে আলোচনা ভেস্তে যায়। গতবছর এই চুক্তি নিয়ে আবারও আলোচনা শুরু হয়। গত বছর ডিসেম্বর মাসে তা চূড়ান্ত হয়। অবশেষে সোমবার দুই দেশের মধ্যে সেই চুক্তি সাক্ষরিত হল। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রবিবার নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সন চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এক্স হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও পোস্টে তিনি বলেন, একটি প্রজন্মের এমন চুক্তি একবারই হয়। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে ভারতের উত্থানে নিউজিল্যান্ডের রপ্তানিকারীরাও বড় সুযোগ পাবেন। ১৪০ কোটি মানুষের বাজারে “অভূতপূর্ব প্রবেশাধিকার” মিলবে। কেউ কেউ ঠিক এখানেই প্রশ্ন তুলছেন— একদিকে যেমন মুক্তি বাণিজ্য চুক্তির সুফল পাবেন ভারতের ব্যবসায়ীরা, অন্যদিকে তেমনই এদেশের বাজারে ব্যবসায় নামবে নিউজিল্যান্ডের শক্তিশালী সংস্থাগুলি। এর ফলে দেশের বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়বে বৈ কমবে না। জানা গিয়েছে, নতুন চুক্তির বলে নিউজিল্যান্ড ভারতীয় বাজারে ৫৪ শতাংশেরও বেশি পণ্য, যার মধ্যে রয়েছে উল, কয়লা, কাঠের জিনিস এবং সামুদ্রিক খাবার কোনও শুল্ক ছাড়াই রপ্তানি করতে পারবে।

কী সুবিধা পাবে ভারত? 

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বস্ত্র, চামড়া, প্লাস্টিকের মতো পণ্য়ের ক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ডে রপ্তানিতে কোনও শুল্ক (কর) লাগবে না। অতীতে নিউজিল্যান্ড ভারতীয় পণ্যের উপরে গড়ে ২ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করত। মনে করা হচ্ছে মুক্তি বাণিজ্যের সুফল পাবেন দেশের তরুণ প্রজন্ম। কারণ নিউজিল্যান্ড একটি নতুন কর্মসংস্থান ভিসা ব্যবস্থা চালু করতে চলেছে। যা ৫ হাজার ভারতীয় চাকরিজীবীকে নিউজল্যান্ডে তিন বছরের জন্য কাজ করার সুযোগ দেবে। পেশা ক্ষেত্রে বড় সুযোগ আসতে চলেছে তথ্যপ্রযুক্তি, শিক্ষা, আর্থিক পরিষেবা, স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে যাঁরা জড়িতদের জন্যেও। এছাড়াও ব্যায়ামের প্রশিক্ষক, শেফ এবং সঙ্গীত শিক্ষকদের মতো পেশার ক্ষেত্রে বিদেশে দক্ষতা প্রদর্শনের নতুন পথ খুলে যেতে পারে।

ভারতীয় বাজারের জন্য আরও একটি ভালো খবর বিনিয়োগ আসবে। আগামী ১৫ বছরে ভারতে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে নিউজিল্যান্ডের তরফে। তবে কৃষক ও উৎপাদকদের বিদেশি প্রতিযোগিতা থেকে বাঁচাতেও উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর জন্য বাণিজ্য চুক্তি থেকে দুধ, চিনি এবং নির্দিষ্ট কিছু ধাতুর মতো পণ্যগুলিকে বাদ রাখা হয়েছে। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.