Lenskart Row

লেন্সকার্টের শোরুমে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি! কর্মীদের তিলক পরিয়ে দিলেন মুসলিম বিজেপি নেত্রী

'এটা হিন্দু রাষ্ট্র। লেন্সকার্টকে তিলক না পরার নির্দেশ দেওয়া নিয়ে ক্ষমা চাইতে হবে', দাবি নাজিয়া ইলাহির।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২৬, ১৫:১৭

options
link
লেন্সকার্টের শোরুমে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি! কর্মীদের তিলক পরিয়ে দিলেন মুসলিম বিজেপি নেত্রী
নাজিয়া ইলাহি বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সদস্য।

জনপ্রিয় চশমার ব্র্যান্ড লেন্সকার্টের কর্মীদের হিজাব পরায় সম্মতি, অথচ টিপ-তিলক পরায় নিষেধাজ্ঞা  নিয়ে বিতর্ক ঘনিয়েছিল (Lenskart Row)। অবশেষে পিছু হটেছে সংস্থা। জানিয়ে দিয়েছে, কর্মীদের সাংস্কৃতিক বা ধর্মীয় পরিচয় প্রকাশে কোনও সমস্যা নেই। এর মধ্যেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করলেন মুম্বইয়ের এক মুসলিম বিজেপি নেত্রী। জানা গিয়েছে, তিনি বাণিজ্যনগরীতে সংস্থার এক শোরুমে ঢুকে কর্মীদের তিলক পরিয়ে দিয়েছেন। সেই সঙ্গেই ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিও দিয়েছেন।

Advertisement

ওই নেত্রীর নাম নাজিয়া ইলাহি। তিনি বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সদস্য। তিনি অন্য বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে মিলে এদিন লেন্সকার্ট শোরুমে ঢুকে পড়েন। এমনকী, কেন সংস্থার তরফে তিলক পরায় আপত্তি করা হয়েছিল, সেই ব্যাপারে জবাবদিহিও চান শোরুমের ফ্লোর ম্যানেজার মহসিন খানের কাছে। প্রশ্ন করেন, ”আচ্ছা, তাহলে এই কারণে আপত্তি করা হয়েছিল? আপনি মহসিন খান বলে?” পরে শোরুমের বাইরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় তাঁকে বলতে শোনা যায়, ”এটা হিন্দু রাষ্ট্র। লেন্সকার্ট যতক্ষণ না ক্ষমা চাইছে ততক্ষণ তাদের বয়কট করা হবে অথবা সমস্ত আউটলেট বন্ধ করে দেওয়া হবে।” তিনি শোরুমে উপস্থিত হিন্দু কর্মীদের কপালে তিলক কেটে দিয়ে বলেন, নিজের ধর্মীয় পরিচয় প্রকাশে কোনওভাবেই লজ্জিত হওয়া উচিত নয়।

Advertisement

কেন সংস্থার তরফে তিলক পরায় আপত্তি করা হয়েছিল, সেই ব্যাপারে বিজেপি নেত্রী জবাবদিহি চান শোরুমের ফ্লোর ম্যানেজার মহসিন খানের কাছে। প্রশ্ন করেন, ‘আচ্ছা, তাহলে এই কারণে আপত্তি করা হয়েছিল? আপনি মহসিন খান বলে?’

লেন্সকার্ট নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত গত সপ্তাহে। এক সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘লেন্সকার্ট প্রধান তাঁর সংস্থার কর্মচারীদের নির্দেশ দেন, অফিসে হিজাব পরে আসা যাবে। কিন্তু তিলক বা টিপ পরা যাবে না। সংস্থাটি ভারতে অবস্থিত। অধিকাংশ কর্মীই হিন্দু। কিন্তু তা-ও সংস্থায় রয়েছে এ ধরনের নীতি।’ তিনি দাবি করেন, সংস্থার পোশাক সংক্রান্ত যে নির্দেশিকা রয়েছে, তা তাঁর কাছে রয়েছে। পাশাপাশি, তিনি তাঁর পোস্টে এই সংক্রান্ত একটি লিঙ্কও শেয়ার করেন। এরপরই বিতর্কের ঝড় ওঠে। পরে সংস্থার তরফে এক নয়া নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়। যেখানে বলে দেওয়াহয়, স্টোরের ভিতরে কর্মীরা টিপ, তিলক, সিঁদুর, মঙ্গলসূত্র, হিজাব বা পাগড়ি পরতে পারবেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.